দেশ প্রতিক্ষণ, ঢাকা: সপ্তাহজুড়ে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সবচেয়ে আলোচনার বিষয় ছিল ‘জেড’ গ্রুপে শেয়ার স্থানান্তর ও ‘জেড’ গ্রুপ থেকে ফিরিয়ে আনার গল্প। ‘জেড’ গ্রুপে কোম্পানির শেয়ার আনা-নেওয়ার এই গল্প সপ্তাহজুড়েই বিনিয়োগকারীদের আতঙ্কে রেখেছিল। আলোচ্য সপ্তাহে মোট ২৩টি কোম্পানির শেয়ারকে ‘জেড’ গ্রুপে স্থানান্তর করেছিল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)। তবে স্থানান্তরিত এসব শেয়ার থেকে ৯টি কোম্পানির শেয়ার একই সপ্তাহে ‘এ’ এবং ‘বি’ গ্রুপে ফিরিয়ে এনেছে ডিএসই কর্তৃপক্ষ।

সপ্তাহশেষে যে ১৪টি শেয়ার এখনো ‘জেড’ গ্রুপে অবস্থান করছে, সেগুলো হলো: অ্যাডভেন্ট ফার্মা, এরামিট লিমিটেড, আফতাব অটোমোবাইলস, আমরা নেটওয়ার্ক, আমরা টেকনোলজি, গোল্ডেন সন, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক, জেনেক্স ইনফোসিস, নাভানা সিএনজি, ওরিয়ন ফার্মা, সিকদার ইন্স্যুরেন্স, এসকে ট্রিম, এসএস স্টিল এবং সাইফ পাওয়ারটেক লিমিটেড।

ডিএসই জানিয়েছে, কোম্পানিগুলোর পরিচালনা পর্ষদ ঘোষিত ডিভিডেন্ড নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে বিতরণ না করায় কোম্পানিগুলোর শেয়ার ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে স্থানান্তর করা হয়েছে। অর্থাৎ কোম্পানিগুলোর পরিচালকরা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ঘোষিত ডিভিডেন্ড বিতরণ না করায় তাদের শাস্তি বিনিয়োগকারীদের ওপর আরোপ করা হয়েছে। কারণ কোম্পানিগুলোর শেয়ার ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে গেলে কোম্পানিগুলোর পরিচালকদের কোন ক্ষতি বা অসুবিধা হয় না; ক্ষতি বা অসুবিধা যা হয় তাহলো বিনিয়োগকারীদের।

বিনিয়োগকারীরা বলছেন, ‘জেড’ গ্রুপে শেয়ার স্থানান্তরিত হলে শেয়ারের দাম কমে যায়, ক্ষতির মুখে পড়েন বিনিয়োগকারীরাই। এই সত্য কথাটা সাধারণ মানুষ বুঝতে পারলেও, ডিএসই কিংবা নিয়ন্ত্রক সংস্থার অতি শিক্ষিত কর্তাব্যক্তিরা বুঝতে পারেন না।