ওয়ালটন হাইটেকের প্রস্তাবিত একীভূতকরণে বিএসইসির সম্মতি
দেশ প্রতিক্ষণ, ঢাকা: পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত প্রকৌশল খাতের কোম্পানি ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসির প্রস্তাবিত একীভূতকরণ (মার্জার) পরিকল্পনায় নীতিগত সম্মতি দিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। কোম্পানিটির অগ্রবর্তী সহযোগী প্রতিষ্ঠান ওয়ালটন ডিজি-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডকে (ডব্লিউডিআইএল) মূল কোম্পানির সাথে একীভূত করার এই উদ্যোগে সম্প্রতি নিয়ন্ত্রক সংস্থাটির পক্ষ থেকে ‘ নো অবজেকশন’ দেওয়া হয়েছে।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে জানা গেছে, গত ২৫ জানুয়ারি ওয়ালটন হাইটেকের পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকে এই একীভূতকরণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এরই ধারাবাহিকতায় গত ১৫ মার্চ (২০২৬) প্রস্তাবিত মার্জার স্কিমটির বিষয়ে বিএসইসি তাদের অনাপত্তি জানায়। জানা গেছে, প্রস্তাবিত এই একীভূতকরণে ওয়ালটন ডিজি-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড হবে অধিগৃহীত প্রতিষ্ঠান (অ্যাকুয়ারি) এবং ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি থাকবে অধিগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠান (অ্যাকুয়ারার) হিসেবে।
তবে চূড়ান্তভাবে একীভূতকরণ কার্যকর হতে এখনও বেশ কয়েকটি ধাপ অতিক্রম করতে হবে কোম্পানিটিকে। এর মধ্যে রয়েছে: সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের অনুমোদন ও কোম্পানির ঋণদাতা ও সাধারণ শেয়ারহোল্ডারদের সম্মতি এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রয়োজনীয় সব আইনি ও সাংগঠনিক অনুমোদন সাপেক্ষে ওয়ালটন ডিজি-টেককে ওয়ালটন হাইটেকের মূল কাঠামোর সাথে যুক্ত করার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। এই একীভূতকরণ সফল হলে দুই কোম্পানির সমন্বিত সক্ষমতা কাজে লাগিয়ে আরও শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করতে পারবে বলে ধারণা করছে বাজার সংশ্লিষ্টরা।
পুঁজিবাজারে ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজের লেনদেন শুরু হয় ২০২০ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর। কোম্পানিটির অনুমোদিত মূলধন ৬০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৩০৩ কোটি ২২ লাখ ১০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ১১ হাজার ৩৭ কোটি ৬৯ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ৩৩ কোটি ৩২ লাখ ২১ হাজার ১৭৭।
এর ৬৭ দশমিক শূন্য ৯ শতাংশ শেয়ার রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের হাতে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে শুণ্য দশমিক ৮৩ শতাংশ, বিদেশী বিনিয়োগকারী দশমিক শূন্য ৩ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৩২ দশমিক ০৫ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।



