দেশ প্রতিক্ষণ, ঢাকা: আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে বিমা খাতে অনিবাসী করদাতাদের বড় ছাড় দিতে যাচ্ছে সরকার। অনিবাসী করদাতাকে পরিশোধিত বিমা প্রিমিয়াম থেকে উৎসে কর কর্তনের হার অর্ধেকে নামানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটে এই ছাড় দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে এই প্রাস্তাব দেবেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

জানা গেছে, বিমা খাতে রি-ইন্স্যুরেন্স প্রিমিয়াম বাবদ খরচ কমানোর স্বার্থে অনিবাসী করদাতাকে পরিশোধিত বিমা প্রিমিয়াম থেকে উৎসে কর কর্তনের হার ১০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে।এছাড়া, দেশে শিল্প খাতে বিনিয়োগ ব্যয় কমাতে আগামী অর্থবছরে বিদেশি ঋণের সুদের ওপর আরোপিত উৎসে করের হার অর্ধেকে নামিয়ে আনতে যাচ্ছে সরকার। পরিকল্পনা অনুযায়ী বিদেশি ঋণের সুদের ওপর বর্তমানে প্রযোজ্য ২০ শতাংশ উৎসে কর কমিয়ে ১০ শতাংশ করা হবে।

বাজেটে স্বাস্থ্য খাতে কর সুবিধার অংশ হিসেবে কিডনি ডায়ালাইসিস ফিল্টার আমদানির ওপর বিদ্যমান ৫ শতাংশ অগ্রিম কর সম্পূর্ণ মওকুফ করা হতে পারে। একই সঙ্গে শারীরিকভাবে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের ব্যবহারের জন্য আমদানি করা ১৫টি পণ্যের অগ্রিম আয়করের হার ২ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১ শতাংশ করা হতে পারে।স্বর্ণ ও স্বর্ণালঙ্কার ব্যবসাকে আনুষ্ঠানিক খাতে আনার লক্ষ্যে এ খাতে উৎসে করের হার ৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে শূন্য দশমিক ৫০ শতাংশ নির্ধারণের প্রস্তাব করতে পারেন অর্থমন্ত্রী। সরকার মনে করছে, উচ্চ করহারের কারণে এই খাত এখনো অনেকাংশে অনানুষ্ঠানিক থাকায় সম্ভাব্য রাজস্ব আদায় ব্যাহত হচ্ছে।

পরিবেশবান্ধব যোগাযোগ ব্যবস্থা সম্প্রসারণে ইলেকট্রিক বাস, ট্রাক এবং ইলেকট্রিক চার্জিং স্টেশন আমদানির ক্ষেত্রে বিদ্যমান ৫ শতাংশ উৎসে কর সম্পূর্ণ প্রত্যাহারের প্রস্তাব করা হতে পারে।

তথ্যপ্রযুক্তি খাতে কম্পিউটার প্রিন্টার, পোর্টেবল অটোমেটিক ডাটা প্রসেসিং মেশিন, ফ্ল্যাশ মেমোরি এবং কম্পিউটার মনিটর আমদানির ওপর অগ্রিম কর ৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২ শতাংশ করা হতে পারে। পাশাপাশি স্থানীয় মোবাইল ফোন উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের ২২টি কাঁচামাল আমদানির ক্ষেত্রে অগ্রিম কর ৫ ও ২ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১ শতাংশ করা হতে পারে। জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতেও কর-সুবিধা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

বিদ্যুৎ উৎপাদনকারীদের কাছ থেকে বিদ্যুৎ ক্রয়ের ওপর উৎসে কর ৪ শতাংশ থেকে ৩ শতাংশে নামিয়ে আনা হতে পারে। এছাড়া রিফাইনারি কর্তৃক জ্বালানি তেল সরবরাহের ক্ষেত্রে উৎসে কর ১ দশমিক ৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১ শতাংশ করা হতে পারে। পরিবেশবান্ধব শিল্পায়ন উৎসাহিত করতে রিসাইকেলড পণ্য ও রিসাইক্লিং কাঁচামালের ওপর করহার ৩ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১ শতাংশ করা হতে পারে।

তথ্যপ্রযুক্তি খাতে কম্পিউটার প্রিন্টার, পোর্টেবল অটোমেটিক ডাটা প্রসেসিং মেশিন, ফ্ল্যাশ মেমোরি এবং কম্পিউটার মনিটর আমদানির ওপর অগ্রিম কর ৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২ শতাংশ করা হতে পারে। পাশাপাশি স্থানীয় মোবাইল ফোন উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের ২২টি কাঁচামাল আমদানির ক্ষেত্রে অগ্রিম কর ৫ ও ২ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১ শতাংশ করা হতে পারে। জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতেও কর-সুবিধা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

বিদ্যুৎ উৎপাদনকারীদের কাছ থেকে বিদ্যুৎ ক্রয়ের ওপর উৎসে কর ৪ শতাংশ থেকে ৩ শতাংশে নামিয়ে আনা হতে পারে। এছাড়া রিফাইনারি কর্তৃক জ্বালানি তেল সরবরাহের ক্ষেত্রে উৎসে কর ১ দশমিক ৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১ শতাংশ করা হতে পারে। পরিবেশবান্ধব শিল্পায়ন উৎসাহিত করতে রিসাইকেলড পণ্য ও রিসাইক্লিং কাঁচামালের ওপর করহার ৩ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১ শতাংশ করা হতে পারে।