শহীদুল ইসলাম, স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, দেশ প্রতিক্ষণ, ঢাকা: যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান যুদ্ধ পরিস্থিতি প্রশমনের ইঙ্গিত ও আন্তর্জাতিক অস্থিরতা কমার খবরে সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবসে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূচকের কিছুটা উত্থানে লেনদেন শেষ হয়েছে। তবে হঠাৎ করে প্রকৌশল খাতের শেয়ারে সুবাতাস বইছে। এদিন বেশির ভাগ কোম্পানির শেয়ার দর ও টাকার পরিমানে লেনদেন বেড়েছে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মধ্যপ্রাচ্যকে ঘিরে উত্তেজনা বাড়ার ফলে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে এক ধরনের সতর্কতা তৈরি হয়েছিল, যার প্রভাব পড়ে পুঁজিবাজারে। পরে যুদ্ধবিরতির ঘোষণায় কিছুটা ইতিবাচক ধারা দেখা দিলেও তা স্থায়ী হয়নি। তবে নতুন করে আলোচনা শুরু হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হওয়ায় বিনিয়োগকারীদের আস্থায় আংশিক ফিরতি লক্ষ করা যাচ্ছে।

বাজার পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, অনেক দিন ধরে পুঁজিবাজারে লেনদেনের শুরুতে সূচকের উত্থান দেখা গেলেও লেনদেনের শেষদিকে তা পতনে রূপ নেয়। তবে সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবসে সকাল থেকে সূচকের উত্থানে লেনদেন শুরু হয়। লেনদেন শেষ হওয়ার আগ পর্যন্ত সূচকের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত ছিল।

জানা গেছে, দিনশেষে ডিএসই ব্রড ইনডেক্স আগের দিনের চেয়ে ২৪ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ৫ হাজার ২৫৪ পয়েন্টে। আর ডিএসই শরিয়াহ সূচক ৮ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ১ হাজার ৬৬ পয়েন্টে এবং ডিএসই ৩০ সূচক ৩ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ১ হাজার ৯৮৪ পয়েন্টে।

দিনভর লেনদেন হওয়া ৩৯৩ কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ২৩৯ টির, দর কমেছে ৯০ টির এবং দর অপরিবর্তিত রয়েছে ৬৪ টির। ডিএসইতে ৮৩৬ কোটি ৪৮ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে। যা আগের কার্যদিবস থেকে ৪৩ কোটি ৬ লাখ টাকা বেশি। এর আগের দিন লেনদেন হয়েছিল ৭৯৩ কোটি ৪২ লাখ টাকার।

অপরদিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ২৩ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৪ হাজার ৭৫৬ পয়েন্টে। সিএসইতে ২০৯ টি কোম্পানি লেনদেনে অংশ নিয়েছে। এসব কোম্পানির মধ্যে ১১৩ টির দর বেড়েছে, কমেছে ৬৩ টির এবং ৩৩ টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে। সিএসইতে ২৩ কোটি ৯৬ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে।