শহীদুল ইসলাম, স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, দেশ প্রতিক্ষণ, ঢাকা: সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূচকের কিছুটা কারেকশনে লেনদেন শেষ হয়েছে। তবে সূচকের কিছুটা কারেকশন হলেও বাজার নিয়ে ভয়ের কিছু নেই। মুলত প্রফিট টেকিংয়ের চাপে সূচকের কিছুটা কারেকশন হয়েছে। কারণ এর আগে একটানা তিন কার্যদিবস সূচকের উত্থানের পর কারেকশন স্বাভাবিক বাজারের লক্ষণ।

তাছাড়া পুঁজিবাজার সূচকের উঠানামার মধ্যে চলছে। বাজার একটানা বাড়ছে না, তেমনি একটানা দরপতন হচ্ছে না।  এটা বাজারের জন্য ভাল দিক বলে মনে করছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা। বিনিয়োগকারীরা। এছাড়া সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবসে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) নেতিবাচক প্রবণতায় লেনদেন শেষ হলেও বাজার ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত মিলেছে।

বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবসে ডিএসইতে লেনদেন শুরু হয় বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিটের দাম বাড়ার মাধ্যমে। ফলে লেনদেনের শুরুতে সূচকের ঊর্ধ্বমুখিতার দেখা মেলে। তবে অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ার দাম বাড়ায় লেনদেনের একপর্যায়ে ডিএসইর প্রধান সূচক ২৭ পয়েন্ট বেড়ে যায়। কিন্তু লেনদেনের শেষদিকে বিভিন্ন খাতের শেয়ারের বিক্রির চাপ বাড়ায় বিনিয়োগকারীদের বড় একটি অংশ।

যার নেতিবাচক প্রভাব পড়ে সার্বিক পুঁজিবাজারে। অবশ্য এর মধ্যেও দাম বাড়ার প্রবণতা ধরে রাখে বেশিরভাগ বিমা কোম্পানি। ফলে ডিএসইর সূচকের সাথে কমেছে বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ার দর ও টাকার পরিমাণে লেনদেন। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা গেছে, দিনশেষে ডিএসই ব্রড ইনডেক্স আগের দিনের চেয়ে ১৫ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ৫ হাজার ৩০০ পয়েন্টে। আর ডিএসই শরিয়াহ সূচক ৮ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ১ হাজার ৫৬ পয়েন্টে এবং ডিএসই ৩০ সূচক ৮ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ২ হাজার ১৭ পয়েন্টে।

দিনভর লেনদেন হওয়া ৩৯২ কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ১০২ টির, দর কমেছে ২২৩ টির এবং দর অপরিবর্তিত রয়েছে ৬৭ টির। ডিএসইতে ৯৫৬ কোটি ১ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে। যা আগের কার্যদিবস থেকে ২৬ কোটি ৪১ লাখ টাকা কম। এর আগের দিন লেনদেন হয়েছিল ৯৮২ কোটি ৪২ লাখ টাকার ।

অপরদিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ৩৫ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ১৪ হাজার ৮৪০ পয়েন্টে। সিএসইতে ২১৪ টি কোম্পানি লেনদেনে অংশ নিয়েছে। এসব কোম্পানির মধ্যে ৮০ টির দর বেড়েছে, কমেছে ১১০ টির এবং ২৪ টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে। সিএসইতে ২২ কোটি ৫৩ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে।