সূচকের উঠানামার মধ্যে স্থিতিশীলতার আভাস দিচ্ছে পুঁজিবাজার, বেড়েছে লেনদেন
শহীদুল ইসলাম, স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, দেশ প্রতিক্ষণ, ঢাকা: টানা দুই কার্যদিবস দরপতনের পর সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবসে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূচকের কিছুটা উত্থানে লেনদেন শেষ হয়েছে। তবে ডিএসইতে সূচকের উত্থানের সাথে লেনদেনে বেড়েছে ১৫ কোটির বেশি। মুলত বাজেট পরবর্তী পুঁজিবাজার সূচকের উঠানামার মধ্যে দিয়ে লেনদেন হচ্ছে। একটানা যেমন সূচকের উত্থান হচ্ছে না, তেমনি একটানা সূচকের পতন হচ্ছে না। কারণ সূচকের উঠানামার মধ্যে স্থিতিশীলতার পথে হাঁটছে পুঁজিবাজার।
তবে গত দুই সপ্তাহ ধরে সূচকের উঠানামার মধ্যে দিয়ে স্থিতিশীলতার আভাস দিচ্ছে পুঁজিবাজার। ফলে সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবসে ডিএসইতে বেড়েছে টাকার পরিমানে লেনদেন ও বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ার দর। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
একাধিক বিনিয়োগকারীর সাথে আলাপকালে বলেন, বর্তমান বাজার পরিস্থিতি স্বাভাবিক গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। বাজার যেমন একটানা উত্থান হচ্ছে না তেমনি একটানা পতন হচ্ছে না। এ ভাবে উত্থান পতনের মধ্যে দিয়ে স্থিতিশীল হচ্ছে পুঁজিবাজার। এর ফলে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আতঙ্ক কমেছে এবং যারা আগে বাজার থেকে সরে গিয়েছিলেন, তারাও আবার নতুন করে বাজারমুখী হচ্ছেন। এর ইতিবাচক প্রভাব বাজারের সামগ্রিক চিত্রে প্রতিফলিত হচ্ছে।
জানা গেছে, দিনশেষে ডিএসই ব্রড ইনডেক্স আগের দিনের চেয়ে ১৬ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ৫ হাজার ৬২১ পয়েন্টে। আর ডিএসই শরিয়াহ সূচক ৭ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ১ হাজার ১৩৬ পয়েন্টে এবং ডিএসই ৩০ সূচক ২ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ২ হাজার ১১৩ পয়েন্টে।
দিনভর লেনদেন হওয়া ৩৯৪ কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ১৮২ টির, দর কমেছে ১৫৮ টির এবং দর অপরিবর্তিত রয়েছে ৫৪ টির। ডিএসইতে ১ হাজার ২১১ কোটি ২৯ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে। যা আগের কার্যদিবস থেকে ১৫ কোটি ১৮ লাখ টাকা বেশি। এর আগের দিন লেনদেন হয়েছিল ১ হাজার ১৯৬ কোটি ১১ লাখ টাকার ।
অপরদিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ২২ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ১৫ হাজার ২৪৯ পয়েন্টে। সিএসইতে ২৩২ টি কোম্পানি লেনদেনে অংশ নিয়েছে। এসব কোম্পানির মধ্যে ১১১ টির দর বেড়েছে, কমেছে ৯৩ টির এবং ২৮ টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে। সিএসইতে ৩৪ কোটি ৯১ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে।



