শহীদুল ইসলাম, দেশ প্রতিক্ষণ, ঢাকা: সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবসে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূচকের উত্থানে লেনদেন শেষ হয়েছে। তবে সূচকের বড় উত্থান হলেও বাজার নিয়ে কিছুটা দু:চিন্তায় বিনিয়োগকারীরা। মুলত ব্যাংক-বীমা ও মিউচুয়াল ফান্ডের শেয়ারে ভর করে সূচকের উত্থান হয়েছে। ফলে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) দাম বাড়ার ক্ষেত্রে সব থেকে বড় দাপট দেখিয়েছে মিউচুয়াল ফান্ড খাত।

একই সঙ্গে ব্যাংক ও বিমা কোম্পানিগুলোও দাম বাড়ার ক্ষেত্রে দাপট দেখিয়েছে। এতে সার্বিক বাজারে দাম বাড়ার তালিকা বড় হয়েছে। ফলে বড় উত্থান হয়ছে মূল্যসূচকের। পাশাপাশি বেড়েছে লেনদেনের পরিমাণ। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের মতো অন্য পুঁজিবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) দাম বাড়ার তালিকায় নাম লিখিয়েছে বেশি প্রতিষ্ঠান। ফলে এ বাজারটিতেও বেড়েছে মূল্যসূচক। একই সঙ্গে লেনদেনের পরিমাণ বেড়েছে।

বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবসে ডিএসইতে লেনদেন শুরু হতেই দাম বাড়ার ক্ষেত্রে দাপট দেখাতে থাকে মিউচুয়াল খাত। একই সঙ্গে ব্যাংক ও বীমা খাতের কোম্পানিগুলোরও শেয়ারের দাম বাড়তে থাকে। যার ইতিবাচক প্রভাব পড়ে অন্য খাতেও। লেনদেনের শেষ পর্যন্ত এই ধারা অব্যাহত থাকে। ফলে দাম বাড়ার তালিকা বড় হওয়ার পাশাপাশি মূল্যসূচক বেড়েই দিনের লেনদেন শেষ হয়।

জানা গেছে, দিনশেষে ডিএসই ব্রড ইনডেক্স আগের দিনের চেয়ে ৪১ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ৫ হাজার ৮৯৮ পয়েন্টে। আর ডিএসই শরিয়াহ সূচক ৬ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ১ হাজার ২০৩ পয়েন্টে এবং ডিএসই ৩০ সূচক ১১ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ২ হাজার ২২০ পয়েন্টে।

দিনভর লেনদেন হওয়া ৩৯৭ কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ২৯৪ টির, দর কমেছে ৫৮ টির এবং দর অপরিবর্তিত রয়েছে ৪১ টির। ডিএসইতে ১ হাজার ১২৯ কোটি ৩৯ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে। যা আগের কার্যদিবস থেকে ১৬২ কোটি ৮৬ লাখ টাকা বেশি। এর আগের দিন লেনদেন হয়েছিল ৯৬৬ কোটি ৫৩ লাখ টাকার।

অপরদিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ৬০ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৫ হাজার ৭৯৮ পয়েন্টে। সিএসইতে ২৫৫ টি কোম্পানি লেনদেনে অংশ নিয়েছে। এসব কোম্পানি মধ্যে ১৪৯ টির দর বেড়েছে, কমেছে ৭৬ টির এবং ৩০ টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে। সিএসইতে ১৯ কোটি ২ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে।