পুঁজিবাজারে নিরাপদ বিনিয়োগের ক্ষেত্রে ১৫টি কৌশল জানা জরুরী!
দেশ প্রতিক্ষণ, ঢাকা: পুঁজিবাজার ব্যবসা সবচেয়ে সহজ ব্যবসা, আবার পৃথিবীতে এর চেয়ে কঠিন ব্যবসা নেই। এজন্য একজন বিনিয়োগকারীকে যে কোন শেয়ারে বিনিয়োগ করার আগে অনেক কৌশল অবলম্বন করতে হবে। স্থান কাল পাত্র ভেদে বিনিয়োগকারীদের ভিন্ন ভিন্ন কৌশল তৈরি করতে হবে। আর এসব কৌশল অবলম্বন করলে শেয়ার ব্যবসা করা অনেক সহজ। আসলে একজন সাধারন মানুষ যদি ডিমের ব্যবসা করে তার ডিম সর্ম্পকে অনেক কিছু জানা দরকার হয়। তেমনি শেয়ার ব্যবসা করার ক্ষেত্রে একজন বিনিয়োগকারীকে অনেক কিছু জানতে হবে।
তেমনি কিছু টেকনিক্যাল বিষয় জানতে হবে। তাহলে সফলতা হওয়া সম্ভব। তাছাড়া পুঁজিবাজারে বিনিয়োগে আগ্রহ বাড়ছে। অনেকেই এটিকে লাভজনক আয়ের উৎস হিসেবে বিবেচনা করছেন। তবে পর্যাপ্ত জ্ঞান ও বিশ্লেষণ ছাড়া বিনিয়োগ করলে লাভের পরিবর্তে বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়ার আশঙ্কা থাকে। তাই বিনিয়োগের আগে কিছু মৌলিক বিষয় বিবেচনায় রাখার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা।
বিশ্লেষকদের মতে, কোনো কোম্পানিতে বিনিয়োগের আগে তার আর্থিক ভিত্তি যাচাই করা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিষ্ঠানের আয়, মুনাফা, ঋণের পরিমাণ এবং ভবিষ্যৎ প্রবৃদ্ধির সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা উচিত। নিয়মিত লভ্যাংশ প্রদান এবং স্থিতিশীল মুনাফা অর্জনকারী কোম্পানিতে বিনিয়োগ তুলনামূলকভাবে নিরাপদ বলে বিবেচিত হয়।
একই সঙ্গে বাজারের সামগ্রিক পরিস্থিতিও বিবেচনায় নেওয়া জরুরি।
অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, মূল্যস্ফীতি, সুদের হার ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা শেয়ারবাজারে বড় প্রভাব ফেলে। এসব সূচক বিশ্লেষণ করে বিনিয়োগের সঠিক সময় নির্ধারণ করা যেতে পারে। ঝুঁকি ব্যবস্থাপনাও বিনিয়োগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক। সব অর্থ এক কোম্পানি বা এক খাতে বিনিয়োগ না করে বিভিন্ন খাতে ছড়িয়ে দিলে ঝুঁকি কমানো সম্ভব। এ পদ্ধতিকে ডাইভারসিফিকেশন বলা হয়, যা বিনিয়োগকে তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল রাখে।
গুজব বা অপ্রমাণিত তথ্যের ওপর ভিত্তি করে বিনিয়োগ করা থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। অনেক সময় বাজারে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে গুজব ছড়িয়ে বিনিয়োগকারীদের বিভ্রান্ত করা হয়, যা বড় ধরনের লোকসানের কারণ হতে পারে। তাই নির্ভরযোগ্য তথ্য ও বিশ্লেষণের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া জরুরি। বাজারের স্বল্পমেয়াদি ওঠানামা স্বাভাবিক হলেও দীর্ঘমেয়াদে ভালো কোম্পানির শেয়ার সাধারণত ইতিবাচক রিটার্ন দেয়। তাই ধৈর্য ধরে দীর্ঘমেয়াদি দৃষ্টিভঙ্গিতে বিনিয়োগ করলে সুফল পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।
এ বিষয়ে ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ডিবিএ)-এর সভাপতি সাইফুল ইসলাম বলেন, পরিকল্পিত ও তথ্যভিত্তিক বিনিয়োগই শেয়ারবাজারে সফলতার চাবিকাঠি। সচেতন বিনিয়োগকারীরা ঝুঁকি কমিয়ে দীর্ঘমেয়াদে ভালো রিটার্ন পেতে পারেন। তিনি বলেন, কোনো কোম্পানির শেয়ার কেনার আগে তার স্পন্সর ও ব্যবস্থাপনার দক্ষতা, সততা এবং অতীত কর্মকাণ্ড মূল্যায়ন করা জরুরি। কারণ ম্যানেজমেন্টের গুণগত মান কোম্পানির ভবিষ্যৎ পারফরম্যান্সে সরাসরি প্রভাব ফেলে।
এছাড়া কোম্পানিটি যে খাতে ব্যবসা করছে যেমন: ব্যাংক, ট্যানারি বা টেক্সটাইল সেই খাতের দীর্ঘমেয়াদি প্রবৃদ্ধির সম্ভাবনাও বিবেচনা করা উচিত। খাতটি দুর্বল হলে ভালো কোম্পানিও প্রত্যাশিত ফল দিতে ব্যর্থ হতে পারে বলে জানান তিনি। তিনি বলেন, গত কয়েক বছরে কোম্পানির আর্থিক পারফরম্যান্স, নিয়মিত লভ্যাংশ প্রদান, আয়ের প্রবৃদ্ধি, ম্যানেজমেন্টের আচরণ এবং কোনো আইনি জটিলতা রয়েছে কি না এসব বিষয় বিনিয়োগ সিদ্ধান্তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
সাইফুল ইসলাম বলেন, অনেক বিনিয়োগকারী পুঁজিবাজারকে ব্যাংকের মতো নিরাপদ মনে করেন, যা সঠিক নয়। ব্যাংকে আমানতের নিরাপত্তা থাকলেও পুঁজিবাজারে ভুল সিদ্ধান্ত নিলে অল্প সময়েই বড় ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়। তিনি বলেন, অন্যের পরামর্শ বা গুজবের ওপর ভিত্তি করে বিনিয়োগ করা বাংলাদেশের অনেক বিনিয়োগকারীর সাধারণ প্রবণতা, যা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। বাজার ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার পর দেরিতে প্রবেশ করাও ক্ষতির কারণ হতে পারে।
তিনি আরও বলেন, নিয়মিত শেয়ার কেনাবেচা করতে হলে বাজার সম্পর্কে গভীর জ্ঞান ও সার্বক্ষণিক নজরদারি প্রয়োজন। যারা তা করতে পারবেন না, তাদের জন্য অতিরিক্ত ট্রেডিং ঝুঁকি বাড়ায়। বিশেষ করে ব্যাংকিং খাতে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রক সংস্থার নীতিগত পরিবর্তন বড় প্রভাব ফেলতে পারে। তাই বিনিয়োগকারীদের এ ধরনের বিষয় সম্পর্কে সতর্ক থাকা জরুরি- উল্লেখ করেন ডিবিএ সভাপতি। উচ্চ সুদে ঋণ নিয়ে শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করার প্রবণতাকেও ঝুঁকিপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন তিনি। তার মতে, অধিকাংশ ক্ষেত্রে এ ধরনের বিনিয়োগে ক্ষতির আশঙ্কাই বেশি থাকে।
পুঁজিবাজারে নিরাপদ বিনিয়োগের জন্য জেনে নেওয়া যাক ১৫টি কৌশল: দীর্ঘ মেয়াদী লক্ষ্য নির্ধারণ: একটি সিকিউরিটিজে বিনিয়োগ করতে হলে অবশ্যই আপনাকে দীর্ঘ মেয়াদী লক্ষ্য নির্ধারণ করতে হবে। আপনি কত দিনের জন্য বিনিয়োগ করবেন। ৬ মাস, ৯ মাস, ৩ বছর, ৫ বছর কিংবা তার বেশি। আপনি হয়তো অবসরকালীন, জমি ক্রয়, বাড়ি তৈরি, ফ্লাট ক্রয়সহ নানা কাজে ব্যয়ের জন্য বিনিয়োগ করতে চান।
আপনার ওই কাজ সম্পন্ন করার জন্য মেয়দী লক্ষ্য জরুরি। তাই বিনিয়োগের আগে আপনাকে ঠিক করতে হবে কত দিন বিনিয়োগ করতে চান এবং কি পরিমাণ মুনাফা পেতে চান। কারণ মুনাফার হার বেশি পেতে চাইলে ঝূঁকির পরিমানও বেড়ে যায়। ঝুঁকি নেওয়ার ক্ষমতা অনুধাবন: আপনি কী পরিমাণ মুনাফা পেতে চান তার ওপর নির্ভর করছে ঝুঁকি কতটা বেশি।
মুনাফা যত বেশি হবে ঝুঁকির পরিমাণও তত বাড়বে। আসলে একেক জনের ঝূঁকি নেওয়ার ক্ষমতা একেক রকম। আপনাকে ঠিক করতে হবে ১০০ টাকায় ১০০ টাকা পেতে চান নাকি ১ হাজার টাকা। তবে সিকিউরিটিজ সম্পর্কে জ্ঞান ও বাছাই করে কেনার ক্ষমতা অনেক সময় ঝূঁকি কমাতে সাহায্য করে। তাই এমন সিকিউরিটিজে বিনিয়োগ উচিত নয় যে বিনিয়োগ আপনাকে রাতে ঘুমাতে দেবে না। তাই বিনিয়োগের অনিশ্চিত সময়ে ঠাণ্ডা মাথায় বিনিয়োগকারীকে ঝূঁকি কমিয়ে সামনে আগোনো উচিত।
আবেগ নিয়ন্ত্রণ: পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করে লাভ নেওয়ার ক্ষেত্রে বড় বাধা হলো আবেগ। পুঁজিবাজারে একটি কোম্পানির শেয়ার সম্পর্কে বেশিরভাগ বিনিয়োগকারীর ইতিবাচক ধারণা থাকলে ওই কোম্পানির শেয়ার দর বাড়তে থাকে। এর বিপরীত হলে কমতে থাকে। বুল ও বেয়ার মার্কেটের এই দরের ওঠানামা যতটা না কোম্পানির ব্যবস্থাপনা, সম্পদ ও ভবিষ্যতের ওপর নির্ভর করে; তার চেয়ে বেশি নির্ভর করে গুজব, ধারণা, উচ্চাশা ও আবেগের ওপর। সুতরাং নিরাপদ বিনিয়োগের জন্য আবেগের নিয়ন্ত্রণ জরুরি।
বিনিয়োগের প্রাথমিক জ্ঞান অর্জন: পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করতে হলে আপনাকে অবশ্যই বাজার সম্পর্ককে প্রাথমিক জ্ঞান থাকতে হবে। আপনাকে জানতে হবে পিই রেশিও কি, ইপিএস কি, এনএভি কি, সিএজিআর কি? আ জানা দরকার এগুলো কিভাবে হিসাব করতে হয় তা। আপনাকে জানতে হবে একটি শেয়ার কতভাবে বিশ্লেষণ করা যায়। শেয়ার লেনদেন করার জন্য বিভিন্ন অর্ডার জানতে হবে। এছাড়া লেদেনের বিভিন্ন অ্যাকাউন্ট সম্পর্কে প্রাথমিক জ্ঞান থাকতে হবে।
বিনিয়োগে বৈচিত্রকরণ: পুঁজিবাজারে বিনিয়োগে অবশ্যই বৈচিত্র থাকতে হবে। আপনার সব বিনিয়োগ একটি শেয়ারে রাখলে চলবে না। একজন বিচেক্ষণ বিনিয়োগকারীর বৈশিষ্ট্য হলো বিনিয়োগটাকে একটি শেয়ারে আটকে না রেখে সঠিক পোর্টফোলিও ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে বিভিন্ন শেয়ারে বিনিয়োগ করা।
ধরুন, আপনি ৫ কোম্পানিতে বিনিয়োগ করেছেন। এর মধ্যে আপনাকে ২টি কোম্পানির শেয়ার ২০ শতাংশ মুনাফা দিলো। আর ২ টি কোম্পানির শেয়ারে পেলেন ১০ শতাংশ মুনাফা। তবে ১ কোম্পানিতে আপনার ১৫ শতাংশ লোকসান হলো। সব মিলে পোর্টফোলিওতে লোকসান কিন্তু কমিয়ে আনা গেল। বিনিয়োগে বৈচিত্রকরণ আপনাকে মোট লোকসান কমিয়ে আনবে সহায়তা করবে।
মার্জিন থেকে দূরে থাকা: পুঁজিবাজারে নিরাপদ বিনিয়োগের একটা বড় শর্ত হলো আপনাকে মার্জিন ঋণ নেওয়া থেকে যত সম্ভব দুরে থাকতে হবে। মার্জিন নিয়ে শেয়ার কেনার কারণে হয়তো আপনাকে বিনিয়োগের অন্যান্য পদ্ধতিগুলো অনুসরণ করতে পারবেন না। তাতে বেশিরভাগ সময়ে লাভের চেয়ে লোকসান বেশি হবে।
অন্ধভাবে বিনিয়োগ নয়: বিনিয়োগের সময় অন্ধ হলে চলবে না। অন্ধভাবে কোনো শেয়ার কেনা মানেই আপনি কোনো বিনিয়োগ করছেন না। বিনিয়োগ তাই যা বুঝেশুনে নেওয়া হয়। যা আপনাকে স্বস্তিতে রাখে।
গবেষণাকে গুরুত্ব দেওয়া: অনেকেই আছেন, বিনিয়োগের ক্ষেত্রে গবেষণাকে গুরুত্ব দেন না। তারা বিনিয়োগ করার কথা তাই বিনিয়োগ করেন। বা বাজারে বড়ভাইদের কথা মতো বিনিয়োগ করেন। বিনিয়োগকারীকে তাই সব সময়
গবেষণাকে গুরুত্ব দেওয়া উচিত। কারণ কোম্পানির গবেষণাই বলে দেয় ওই কোম্পানি, তার পণ্য, ব্যবসা, আয় ও ভবিষ্যৎ। ধরুণ, আপনি কোনো কোম্পানিতে বিনিয়োগ করতে চান; তাহলে ওই কোম্পানি সম্পর্কে এবং তার ব্যবসায়িক পরিকল্পনা সম্পর্কে জানুন। এরপর সিদ্ধান্ত নেন কি করবেন।
সময় জ্ঞান থাকতে হবে: পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের আগে সময় জ্ঞান জরুরি। ধরুন, আপনি একটি বাড়ি কেনার জন্য অর্থ সঞ্চয় করছেন; তাহলে মধ্য মেয়াদী পরিকল্পনা করতে পারেন। আবার যদি আগেভাগে বিনিয়োগ করতে চান, তবে সেটা হতে পারে দীর্ঘমেয়াদী। এখন আপনাকে নিতে হবে বিনিয়োগের সময়োপযোগী সিন্ধান্ত।
মুনাফা প্রত্যাশা ও ঝুঁকির মধ্য ভারসাম্য: বিনিয়োগে যেমন মুনাফা প্রত্যাশা থাকবে, তেমনি ঝুঁকিও থাকবে। অবশ্যই এ দুইটার মধ্যে ভারসাম্য বিবেচনায় নিতে হবে; যাতে কোনো ক্রমে ভুল সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেললেও আপনার ঝুঁকি নেওয়ার ক্ষমতা থাকে।
অবস্থা বুঝে ব্যবস্থা: আপনার সহ্য ক্ষমতা যতটুকু; ততটুকু ঝুঁকি নিতে পারেন। এর বেশি নয়। মার্কেটের শেয়ার দর উঠা-নামাকে সহ্য করতে না পারলে সেক্ষেত্র আপনাকে অবস্থা বুঝে ব্যবস্থা নিতে হবে। এক্ষেত্রে ব্লু-চিপ কোম্পানিতে বিনিয়োগ করতে পারেন। কারণ এ ধরণের কোম্পানিতে শেয়ার দরের ওঠানামা তুলনামূলক কম থাকে।
সব ডিম এক ঝুঁড়িতে নয়: কখনও সব ডিম এক ঝূঁড়িতে রাখা ঠিক নয়। কারণ ঝূঁড়িটা ছিদ্র হলে সব ডিম পড়ে ভেঙ্গে যেতে পারে বা সব অর্থ লোকসান হতে পারে। বিনিয়োগে বহুমুখীকরণ হলে এ ধরণের ক্ষতি থেকে পোর্টফোলিওকে মুক্ত রাখা সম্ভব। আপনি যদি কয়েকটা কোম্পানির শেয়ারে বিনিয়োগ করেন; তবে কোনো কোম্পানিতে লোকসান হলে অন্যটাতে লাভ হবে। তাতে আপনার পোর্টফোলিও ক্ষতিগ্রস্ত হবে না। আর একটি কোম্পানিতে বিনিয়োগ করলে যদি ক্ষতিগ্রস্ত হন তবে আপনার সব অর্থই চলে যেতে পারে।
দাম কমলেই শেয়ার কেনা নয়: কোনো কোম্পানির শেয়ারের দর কমলেই তা কিনতে হবে এমন নীতি পরিহার করতে হবে। কারণ দাম কমলেই যে ওই শেয়ার কিনে আপনি লাভবান হবেন- এমন নয়। আপনাকে কেন দর কমল, ভবিষ্যতে তা কি পরিমাণ বাড়তে পারে, কেন বাড়বে সে বিষয়গুলো বিবেচনায় নিতে হবে। ট্যাক্সের কথা মাথায় রাখতে হবে: আপনার বিনিয়োগকৃত শেয়ারে মুনাফার উপর সরকার কতটুকু ট্যাক্স আরোপ করছে- সে সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকা ভালো।
লেনদেনের ফি মাথায় রাখা: আপনাকে বিনিয়োগে ব্রোকারেজ হাউজের ফি এর কথা মাথায় রাখতে হবে। এটাকে কোনোভাবেই অবহেলা করা যাবে না। আবার যেসব হাউজ বেশি ফি নিচ্ছে সেটাও মাথায় থাকতে হবে। কারণ তুলনামূলক কম ফি আপনার বিনিয়োগের রিটার্নকে এগিয়ে দিতে পারে।



