স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, দেশ প্রতিক্ষণ, ঢাকা: সপ্তাহজুড়ে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূচকের মিশ্র প্রবনতার মধ্যে দিয়ে লেনদেন শেষ হয়েছে। গত সপ্তাহে লেনদেন হওয়া পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে তিন কার্যদিবসে বেড়েছে মূল্যসূচক। তবে সপ্তাহজুড়ে ২০৫ পয়েন্ট সূচকের উত্থান হলেও ১৬৭ পয়েন্ট সূচকের পতন হয়েছে। ফলে গত সপ্তাহজুড়ে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) লেনদেনে অংশ নেওয়া বেশিসংখ্যক কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিটের দাম কমেছে।

তবে সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে খাতভিত্তিক লেনদেনে ওষুধ ও রসায়ন খাতের শেয়ারের একক আধিপত্য ছিল। লেনদেনচিত্র বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত সপ্তাহে ডিএসইর মোট লেনদেনের ১৫ দশমিক ৮ শতাংশ দখলে নিয়ে শীর্ষে অবস্থান করছে ওষুধ ও রসায়ন খাত।

১৪ দশমিক ২ শতাংশ লেনদেনের ভিত্তিতে দ্বিতীয় অবস্থানে ছিল প্রকৌশল খাত। তৃতীয় অবস্থানে থাকা ব্যাংক খাতের দখলে ছিল লেনদেনের ৯ দশমিক ৩ শতাংশ। বস্ত্র খাত ৯ শতাংশ লেনদেনের ভিত্তিতে তালিকার চতুর্থ অবস্থানে ছিল। আর পঞ্চম অবস্থানে থাকা সাধারণ বীমা খাতের দখলে ছিল মোট লেনদেনের ৮ দশমিক ৮ শতাংশ।

ডিএসইতে গত সপ্তাহে সবচেয়ে বেশি ২ দশমিক ৪ শতাংশ ইতিবাচক রিটার্ন এসেছে চামড়া খাতে। এ ছাড়া ব্যাংক এবং কাগজ ও মুদ্রণ খাতে ১ দশমিক ৭ শতাংশ, তথ্যপ্রযুক্তি খাতে ১ দশমিক ৪ শতাংশ এবং সিমেন্ট খাতে ১ দশমিক ৩ শতাংশ ইতিবাচক রিটার্ন এসেছে। গত সপ্তাহে মিউচুয়াল ফান্ড খাতে সবচেয়ে বেশি ২ দশমিক ৯ শতাংশ নেতিবাচক রিটার্ন এসেছে। এ ছাড়া এ সময়ে জীবন বীমা খাতে ২ দশমিক ৮ শতাংশ এবং ভ্রমণ ও অবকাশ খাতে ১ দশমিক ৮ শতাংশ নেতিবাচক রিটার্ন ছিল।

সিএসইতে গত সপ্তাহে সার্বিক সূচক সিএএসপিআই দশমিক ৪৯ শতাংশ বেড়ে ১৪ হাজার ৭৭৪ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে, আগের সপ্তাহে যা ছিল ১৪ হাজার ৭০১ পয়েন্ট। সিএসসিএক্স সূচকটি সপ্তাহের ব্যবধানে দশমিক ৬৩ শতাংশ বেড়ে ৯ হাজার ৩৯ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে, আগের সপ্তাহে যা ছিল ৮ হাজার ৯৮৩ পয়েন্ট।

সিএসইতে গত সপ্তাহে ২৪৩ কোটি টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে, আগের সপ্তাহে যা ছিল ১৮৮ কোটি টাকা। আলোচ্য সপ্তাহে সিএসইতে লেনদেন হওয়া ২৯৭টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ১২৩টির, কমেছে ১৪৪টির আর অপরিবর্তিত ছিল ৩০টির বাজারদর।