শহীদুল ইসলাম, দেশ প্রতিক্ষণ, ঢাকা: সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূচকের উত্থানে লেনদেন শেষ হয়েছে। তবে সূচকের সাথে বেড়েছে টাকার পরিমাণে লেনদেন ও বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ার দর। ফলে পুঁজিবাজারে অনিশ্চয়তার মধ্যে নতুন করে আশার সঞ্চার করেছে সূচকের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা।

মুলত বিনিয়োগকারীদের মাঝে কিছুটা আস্থা ফেরায় ক্রেতাদের সক্রিয় উপস্থিতির কারণে প্রায় সব খাতেই ইতিবাচক রিটার্নে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আস্থার পুনরুদ্ধারের ইঙ্গিত দিচ্ছে। সেইসঙ্গে লেনদেন বেড়ে হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে। এর মাধ্যমে টানা তিন কার্যদিবস ডিএসই ও সিএসইতে মূল্যসূচক বাড়লো।

বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূচকের উত্থানে কিছুটা আস্থা ফিরছে বিনিয়োগকারীদের। এর আগে সপ্তাহের প্রথম দুই কার্যদিবস পুঁজিবাজারে ঢালাও দরপতন হয়। তবে তৃতীয় ও চতুর্থ কার্যদিবসে পুঁজিবাজারে সূচকের ঊর্ধ্বমুখিতার দেখা মিলে। এ পরিস্থিতিতে সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে ডিএসইতে লেনদেন শুরু হয় অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ার দাম বাড়ার মাধ্যমে। ফলে লেনদেনের শুরুতে সূচকের ঊর্ধ্বমুখিতার দেখা মিলে। লেনদেনের শেষ পর্যন্ত এই ধারা অব্যাহত থাকে। ফলে দাম বাড়ার তালিকা বড় হওয়ার পাশাপাশি মূল্য সূচক বেড়েই দিনের লেনদেন শেষ হয়। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা গেছে, দিনশেষে ডিএসই ব্রড ইনডেক্স আগের দিনের চেয়ে ৩৫ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ৫ হাজার ৬৫২ পয়েন্টে। আর ডিএসই শরিয়াহ সূচক ৩ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ১ হাজার ১৪৩ পয়েন্টে এবং ডিএসই ৩০ সূচক ৩ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ২ হাজার ১৩১ পয়েন্টে।

দিনভর লেনদেন হওয়া ৩৯৫ কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ২৭৩ টির, দর কমেছে ৬৮ টির এবং দর অপরিবর্তিত রয়েছে ৫৪ টির। ডিএসইতে ১ হাজার ১১০ কোটি ৭৪ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে। যা আগের কার্যদিবস থেকে ১৭০ কোটি ৫৩ লাখ টাকা বেশি। এর আগের দিন লেনদেন হয়েছিল ৯৪০ কোটি ২১ লাখ টাকার।

অপরদিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ২৯ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৫ হাজার ১৪৯ পয়েন্টে। সিএসইতে ২৪০ টি কোম্পানি লেনদেনে অংশ নিয়েছে। এসব কোম্পানির মধ্যে ১৩৩ টির দর বেড়েছে, কমেছে ৬৯ টির এবং ৩৮টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে। সিএসইতে ৯৮ কোটি ৮১ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে।