দেশ প্রতিক্ষণ, ঢাকা: পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ভ্রমণ ও অবকাশ খাতের পাঁচ কোম্পানির মধ্যে চার কোম্পানির চলতি ২০২৫-২৬ হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) আয় বেড়েছে। আয় বাড়লেও আলোচ্য প্রান্তিকে তিন কোম্পানি লোকসানে রয়েছে। আর অন্যটি এখনো প্রথম প্রান্তিকের আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেনি। কোম্পানিগুলোর আর্থিক প্রতিবেদন বিশ্লেষণে এ তথ্য জানা গেছে।

প্রথম প্রান্তিকে বাংলাদেশ সার্ভিসেস লিমিটেড, দ্য পেনিনসুলা চিটাগং পিএলসি, সি পার্ল বিচ রিসোর্ট অ্যান্ড স্পা লিমিটেড ও ইউনিক হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টস পিএলসির আয় বেড়েছে। এ সময়ে ইউনিক হোটেল ছাড়া বাকি তিন কোম্পানি লোকসানে রয়েছে। আর বেস্ট হোল্ডিংস লিমিটেড এখনো আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেনি।

বাংলাদেশ সার্ভিসেস: চলতি হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে কোম্পানিটির আয় হয়েছে ৩৯ কোটি ৪৬ লাখ টাকা, আগের হিসাব বছরের একই প্রান্তিকে যা ছিল ২২ কোটি ৭৪ লাখ টাকা। এ সময়ে বাংলাদেশ সার্ভিসেসের আয় বেড়েছে ৭৩ দশমিক ৪৫ শতাংশ। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির কর-পরবর্তী নিট লোকসান হয়েছে ২৪ কোটি ২৯ লাখ টাকা, আগের হিসাব বছরের একই প্রান্তিকে যা ছিল ২৯ কোটি ৯৪ লাখ টাকা।

প্রথম প্রান্তিকে বাংলাদেশ সার্ভিসেসের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ২ টাকা ৪৮ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই প্রান্তিকে যা ছিল ৩ টাকা ৬ পয়সা। ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২১৭ টাকা ২৬ পয়সায় (পুনর্মূল্যায়িত)।

পেনিনসুলা চিটাগং: চলতি হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে কোম্পানিটির আয় হয়েছে ১০ কোটি ৩৭ লাখ টাকা, আগের হিসাব বছরের একই প্রান্তিকে যা ছিল ৬ কোটি ৪৬ লাখ টাকা। এ সময়ে পেনিনসুলা চিটাগংয়ের আয় বেড়েছে ৬০ দশমিক ৬৮ শতাংশ। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির কর-পরবর্তী নিট লোকসান হয়েছে ১৪ লাখ টাকা, আগের হিসাব বছরের একই প্রান্তিকে যা ছিল ৩ কোটি ৬৯ লাখ টাকা।

প্রথম প্রান্তিকে পেনিনসুলা চিটাগংয়ের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ১ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই প্রান্তিকে যা ছিল ৩১ পয়সা। ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২৭ টাকা ৮৯ পয়সায়।

সি পার্ল: চলতি হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে কোম্পানিটির পরিচালন আয় হয়েছে ১৭ কোটি ৩৪ লাখ টাকা, আগের হিসাব বছরের একই প্রান্তিকে যা ছিল ৯ কোটি ৫৭ লাখ টাকা। এ সময়ে সি পার্লের আয় বেড়েছে ৮১ দশমিক ২৫ শতাংশ। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির কর-পরবর্তী নিট লোকসান হয়েছে ১০ কোটি ১৪ লাখ টাকা, আগের হিসাব বছরের একই প্রান্তিকে যা ছিল ১২ কোটি ৭৩ লাখ টাকা।

প্রথম প্রান্তিকে সি পার্লের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৮৪ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই প্রান্তিকে যা ছিল ১ টাকা ৫ পয়সা। ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৬ টাকা ৪৬ পয়সায়।

ইউনিক হোটেল: চলতি হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে কোম্পানিটির আয় হয়েছে ৭৩ কোটি ২৯ লাখ টাকা, আগের হিসাব বছরের একই প্রান্তিকে যা ছিল ৪৪ কোটি ৭ লাখ টাকা। এ সময়ে ইউনিক হোটেলের আয় বেড়েছে ৬৬ দশমিক ৩১ শতাংশ। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির কর-পরবর্তী নিট মুনাফা হয়েছে ৪০ কোটি ১৭ লাখ টাকা, আগের হিসাব বছরের একই প্রান্তিকে যা ছিল ১২ কোটি ৯৮ লাখ টাকা।

প্রথম প্রান্তিকে ইউনিক হোটেলের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৩৬ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৪৪ পয়সা। ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৯৪ টাকা ৯৭ পয়সায়।