ব্যাংক-আর্থিক খাতের দরপতনে সূচক হারাচ্ছে পুঁজিবাজার, বস্ত্র ও বীমা খাতে সুবাতাস
শহীদুল ইসলাম, দেশ প্রতিক্ষণ, ঢাকা: দুই কার্যদিবস কিছুটা ঊর্ধ্বমুখী থাকার পর সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবসে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূচকের দরপতনে লেনদেন শেষ হয়েছে। তবে এর আগে টানা তিন কার্যদিবস দরপতন হওয়ার পর চলতি সপ্তাহের দ্বিতীয় ও তৃতীয় কার্যদিবসে সূচকের ঊর্ধ্বমুখিতার দেখা মিলে। সেই সঙ্গে বাড়ে লেনদেনের গতি। ফলে ডিএসইতে বেড়েছে লেনদেনের পরিমাণ।
তবে ব্যাংক-আর্থিক খাতের শেয়ারের দরপতনে সূচক হারাচ্ছে পুঁজিবাজার। মুলত ব্যাংক-আর্থিক খাতে দরপতন হলেও বস্ত্র-বীমা খাতের শেয়ারে সুবাতাস দেখা দিয়েছে। এদিন অধিকাংশ খাতের কোম্পানির শেয়ারে দরপতন হলেও বস্ত্র-বীমা খাতের শেয়ারে একচেটিয়া প্রভাব লক্ষ্য করা গেছে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, ডিএসইতে লেনদেন শুরু হয় বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিটের দাম বাড়ার মাধ্যমে। ফলে লেনদেনের শুরুতে সূচকের ঊর্ধ্বমুখিতার দেখা মিলে। লেনদেনের প্রথম তিন ঘণ্টা সূচকের ঊর্ধ্বমুখী ধারা অব্যাহত থাকে। তবে শেষ এক ঘণ্টার শেয়ার বিক্রির চাপে এক প্রকার ঢালাও দরপতন হয়। ফলে দাম কমার তালিকা বড় হওয়ার পাশাপাশি মূল্যসূচক কমেই দিনের লেনদেন শেষ হয়।
জানা গেছে, দিনশেষে ডিএসই ব্রড ইনডেক্স আগের দিনের চেয়ে ২১ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ৫ হাজার ৮৭৮ পয়েন্টে। আর ডিএসই শরিয়াহ সূচক ৯ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ১ হাজার ১৯১ পয়েন্টে এবং ডিএসই ৩০ সূচক ৮ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ২ হাজার ২১০ পয়েন্টে।
দিনভর লেনদেন হওয়া ২৯১ কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ১১৩ টির, দর কমেছে ২৩৯ টির এবং দর অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৯ টির। ডিএসইতে ১ হাজার ৩৪২ কোটি ৫১ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে। যা আগের কার্যদিবস থেকে ৮১ কোটি ৫৮ লাখ টাকা বেশি। এর আগের দিন লেনদেন হয়েছিল ১ হাজার ২৬০ কোটি ৯৩ লাখ টাকার ।
অপরদিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ২৫ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ১৫ হাজার ৭১৩ পয়েন্টে। সিএসইতে ২৬৬ টি কোম্পানি লেনদেনে অংশ নিয়েছে। এসব কোম্পানির মধ্যে ১১৩ টির দর বেড়েছে, কমেছে ১২৭ টির এবং ২৬ টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে। সিএসইতে ৩৭ কোটি ৭ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে।



