ভালো মৌল ভিত্তি শেয়ারে ভর করে পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতার আভাস
শহীদুল ইসলাম, স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, দেশ প্রতিক্ষণ, ঢাকা: সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবসে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূচকের কিছুটা উত্থানে লেনদেন শেষ হয়েছে। মুলত ভালো মৌল ভিত্তি শেয়ারে ভর করে পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতার আভাস দিচ্ছে। ফলে বিনিয়োগকারীরা ফের বাজারমুখী হচ্ছে, ধীরে ধীরে আস্থা ফিরতে শুরু করছে।
এছাড়া অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারদর বাড়ার পাশাপাশি মোট লেনদেনের পরিমাণও আগের দিনের তুলনায় বেড়েছে, যা বাজারে সক্রিয় অংশগ্রহণের ইঙ্গিত দেয়। বিশেষ করে মাঝারি ও বড় মূলধনি শেয়ারগুলোতে ক্রয় চাপ বাড়ায় সূচকের এই উত্থান হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ চিত্র কিছুটা ভিন্ন ছিল, যেখানে সার্বিক সূচক সামান্য কমলেও বেশ কিছু কোম্পানির শেয়ারদর বেড়েছে। এতে বোঝা যায়, বাজারে নির্বাচিত শেয়ারে বিনিয়োগ প্রবণতা বাড়ছে।
সামগ্রিকভাবে দুই বাজারের পারফরম্যান্স বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, বিনিয়োগকারীরা ধীরে ধীরে ঝুঁকি নিতে আগ্রহী হচ্ছেন, তবে এখনো বাজার পুরোপুরি স্থিতিশীল অবস্থায় পৌঁছায়নি। ফলে আগামী কার্যদিবসগুলোতে সূচকের ধারাবাহিকতা ও লেনদেনের গতি বাজারের দিকনির্দেশনা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
জানা গেছে, সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবসে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূচকের উত্থানে লেনদেন শেষ হয়েছে। এদিন বেশির ভাগ কোম্পানির শেয়ার দর ও টাকার পরিমানে লেনদেন বেড়েছে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। দিনশেষে ডিএসই ব্রড ইনডেক্স আগের দিনের চেয়ে ১২ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ৫ হাজার ২৭৭ পয়েন্টে।
আর ডিএসই শরিয়াহ সূচক ৪ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ১ হাজার ৫৪ পয়েন্টে এবং ডিএসই ৩০ সূচক ৪ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ২ হাজার ২৩ পয়েন্টে। দিনভর লেনদেন হওয়া ৩৯৬ কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ১৭৪ টির, দর কমেছে ১৫৯ টির এবং দর অপরিবর্তিত রয়েছে ৬৩ টির।
ডিএসইতে ৮৭৬ কোটি ৯৫ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে। যা আগের কার্যদিবস থেকে ৪৭ কোটি ৫৮ লাখ টাকা বেশি। এর আগের দিন লেনদেন হয়েছিল ৮২৯ কোটি ৩৭ লাখ টাকার ।
অপরদিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ৪ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ১৪ হাজার ৭৮৩ পয়েন্টে। সিএসইতে ২১৮ টি কোম্পানি লেনদেনে অংশ নিয়েছে। এসব কোম্পানির মধ্যে ১০০টির দর বেড়েছে, কমেছে ৮৬ টির এবং ৩২ টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে। সিএসইতে ১৬ কোটি ৭৭ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে।



