মোবারক হোসেন, দেশ প্রতিক্ষণ, ঢাকা: পিই রেশিও কমার অর্থ হলো, শেয়ারের দাম কমে এসেছে। দামের তুলনায় বেশি রিটার্ন পাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। অর্থাৎ পুঁজিবাজার এখন বেশি বিনিয়োগ বান্ধব হয়ে উঠেছে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, ভবিষ্যতে বাজার ইতিবাচক হওয়ার প্রবণতা তৈরি হয়েছে। এ মুহূর্তে বিনিয়োগ করলে ২০ থেকে ৪০ শতাংশ মুনাফা পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। গত সপ্তাহে লেনদেন হওয়া পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে তিন কার্যদিবসই দরপতন হয়েছে।

এরপরও সপ্তাহজুড়ে দাম কমার তালিকা বড় হয়েছে। ডিএসইতে লেনদেন হওয়া প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ডিএসইতে ৩৯৬ টি কোম্পানি লেনদেনে অংশ নিয়েছে। এর মধ্যে দর বেড়েছে ৫৬ টি, দর কমেছে ৩২৬ টি এবং ১৪ টি শেয়ার দর অপরিবর্তিত রয়েছে। এতে বিদায়ী সপ্তাহে সার্বিক মূল্য আয় অনুপাত (পিই রেশিও) কমেছে ৩ দশমিক ১৫ শতাংশ।

ডিএসইর তথ্য বলছে, বিদায়ী সপ্তাহের শুরুতে ডিএসইর পিই রেশিও ছিল ১০ দশমিক ১৫ পয়েন্টে, যা সপ্তাহ শেষে দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ৮৩ পয়েন্টে। ফলে সপ্তাহের ব্যবধানে ডিএসইর পিই রেশিও দশমিক ৩২ পয়েন্ট বা ৩ দশমিক ১৫ শতাংশ কমেছে।

এ বিষয়ে বিআরবি সিকিউরিটিজের প্রধান নির্বাহী (সিইও) আলমগীর হোসেন বলেন, পিই রেশিও বিবেচনা করলে বাজার সম্পূর্ণরূপে বিনিয়োগযোগ্য অবস্থায় আছে। অনেক শেয়ারের দাম খুবই কমেছে। খুব ভালো নয়, আবার খারাপও নয় এমন অনেক কোম্পানি আছে, যেগুলোতে বিনিয়োগ করে রাখতে পারলে ২০ থেকে ৪০ শতাংশ পর্যন্ত রিটার্ন পাওয়া সম্ভব।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বিদায়ী সপ্তাহে সার্বিক মূল্য আয় অনুপাত (পিই রেশিও) ৩ শতাংশ কমেছে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। জানা গেছে, বিদায়ী সপ্তাহের শুরুতে ডিএসইর পিই রেশিও ছিল ১০.১৫ পয়েন্টে। আর সপ্তাহ শেষে পিই রেশিও অবস্থান করছে ৯.৮৮ পয়েন্টে। অর্থ্যাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে ডিএসইর পিই রেশিও ০.২৭ পয়েন্ট বা ৩ শতাংশ কমেছে।