শহীদুল ইসলাম, দেশ প্রতিক্ষণ, ঢাকা: সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবসে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূচকের মিশ্রাবস্থায় লেনদেন শেষ হয়েছে। মুলত টানা তিন কার্যদিবস দাম বাড়ার ক্ষেত্রে দাপট দেখানোর পর মিউচুয়াল ফান্ডের কিছুটা মূল্য সংশোধন হয়েছে। এমনকি বেশিরভাগ মিউচুয়াল ফান্ডের দাম কমায় সার্বিক বাজারেও দাম কমার তালিকা বড় হয়েছে। তবে পুঁজিবাজারে এই ঘুরে দাঁড়ানোর পেছনে বড় ধরনের ভূমিকা রেখেছে বীমা খাতের কোম্পানিগুলো। অধিকাংশ বীমা কোম্পানির শেয়ারের দাম বাড়ার সূচক কিছুটা বাড়লেও কমেছে লেনদেন। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, ডিএসইতে লেনদেন শুরু হয় মিউচুয়াল ফান্ডসহ অন্যান্য খাতের বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ার দাম বাড়ার মাধ্যমে। ফলে লেনদেনের শুরুতে মূল্য সূচকের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার দেখা মেলে। তবে লেনদেনর প্রথম দুই ঘণ্টা অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিটের দাম বাড়ার প্রবণতা অব্যাহত থাকে।

ফলে দুপুর ১২টার পর থেকে বাজারের চিত্র বদলাতে থাকে। বিশেষ করে দাম কমার তালিকায় নাম লেখায় একের পর এক মিউচুয়াল ফান্ড। যার নেতিবাচক প্রভাব পড়ে অন্য খাতেও। তবে মিউচুয়াল ফান্ডের মূল্য সংশোধন হলেও বীমা খাতের শেয়ারের একচেটিয়া প্রভাব লক্ষ্য করা গেছে।

জানা গেছে, দিনশেষে ডিএসই ব্রড ইনডেক্স আগের দিনের চেয়ে ৮ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ৫ হাজার ৮৯৪ পয়েন্টে। আর ডিএসই শরিয়াহ সূচক .৪৯ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ১ হাজার ১৮৫ পয়েন্টে এবং ডিএসই ৩০ সূচক ২ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ২ হাজার ২০১ পয়েন্টে।

দিনভর লেনদেন হওয়া ৩৯১ কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ১৭০ টির, দর কমেছে ১৭৬ টির এবং দর অপরিবর্তিত রয়েছে ৪৫ টির। ডিএসইতে ১ হাজার ১১১ কোটি ৪৯ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে। যা আগের কার্যদিবস থেকে ৯৯ কোটি ২ লাখ টাকা কম। এর আগের দিন লেনদেন হয়েছিল ১ হাজার ২১০ কোটি ৫১ লাখ টাকার ।

অপরদিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ২৫ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৫ হাজার ৭৮৯ পয়েন্টে। সিএসইতে ২৫০ টি কোম্পানি লেনদেনে অংশ নিয়েছে। এসব কোম্পানির মধ্যে ১১০ টির দর বেড়েছে, কমেছে ১০৫ টির এবং ৩৫ টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে। সিএসইতে ১৮ কোটি ৫ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে।