সাখাওয়াত হোসেন, দেশ প্রতিক্ষণ, ঢাকা: পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বস্ত্র খাতের কোম্পানি প্যারামাউন্ট টেক্সটাইল পিএলসির গত সপ্তাহে ১২৭ কোটি ৮৫ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মোট লেনদেনের ৪ দশমিক ৬০ শতাংশ ছিল কোম্পানিটির দখলে। এতে ডিএসইর সাপ্তাহিক লেনদেনের শীর্ষ তালিকায় উঠে এসেছে কোম্পানিটি। ডিএসই সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৫-২৬ হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে (জুলাই-মার্চ) প্যারামাউন্ট টেক্সটাইলের শেয়ারপ্রতি মুনাফা হয়েছে ৫ টাকা ১৪ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৫ টাকা ২২ পয়সা। ৩১ মার্চ ২০২৬ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৪৭ টাকা ৮৮ পয়সায়।

২০২৪-২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে প্যারামাউন্ট টেক্সটাইলের ইপিএস হয়েছে ৬ টাকা ৪৮ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৬ টাকা ২ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৪৩ টাকা ৮৯ পয়সায়।

২০২৩-২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১৫ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। এর মধ্যে ৫ শতাংশ নগদ ও ১০ শতাংশ স্টক। আলোচ্য হিসাব বছরে প্যারামাউন্ট টেক্সটাইলের ইপিএস হয়েছে ৬ টাকা ৬২ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৭ টাকা ৫১ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৪১ টাকা ৭২ পয়সায়।

২০২২-২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে প্যারামাউন্ট টেক্সটাইলের ইপিএস হয়েছে ৭ টাকা ৫১ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৪ টাকা ৬৭ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৩৬ টাকা ১০ পয়সায়।

প্যারামাউন্ট টেক্সটাইলের ঋণমান দীর্ঘমেয়াদে ‘এএ’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি-১’। ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২৪ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন, ৩১ মার্চ ২০২৫ পর্যন্ত অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং রেটিং ঘোষণার দিন পর্যন্ত প্রাসঙ্গিক অন্যান্য পরিমাণগত ও গুণগত তথ্যের ওপর ভিত্তি করে এ প্রত্যয়ন করেছে ইমার্জিং ক্রেডিট রেটিং লিমিটেড (ইসিআরএল)।

২০১৩ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত প্যারামাউন্ট টেক্সটাইলের অনুমোদিত মূলধন ৫০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১৭৯ কোটি ১১ লাখ ৭০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৫৫২ কোটি ৯৫ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ১৭ কোটি ৯১ লাখ ১৬ হাজার ৮৮৬। এর ৬০ দশমিক ৯৫ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে।

এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ১৫ দশমিক ১৬, বিদেশী বিনিয়োগকারীদের কাছে ৪ দশমিক ৪১ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ১৯ দশমিক ৪৮ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।