সেন্ট্রাল ইন্স্যুরেন্সের ৫ বছরের মুনাফা ও লভ্যাংশের হালচাল
সাখাওয়াত হোসেন, দেশ প্রতিক্ষণ, ঢাকা: পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বীমা খাতের কোম্পানি সেন্ট্রাল ইন্স্যুরেন্স পিএলসির চলতি ২০২৬ হিসাব বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) আগের হিসাব বছরের একই সময়ের চেয়ে ৪৬ শতাংশ বেড়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০২৬ হিসাব বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে সেন্ট্রাল ইন্স্যুরেন্সের মুনাফা হয়েছে ৭৬ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে মুনাফা ছিল ৫২ পয়সা। ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য দাঁড়িয়েছে ৫১ টাকা ৪৩ পয়সায়।
সর্বশেষ ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ১২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। আলোচ্য হিসাব বছরে সেন্ট্রাল ইন্স্যুরেন্সের ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৮৭ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ৮৫ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৫০ টাকা ৬৯ পয়সায়।
২০২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে সেন্ট্রাল ইন্স্যুরেন্সের পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৮৫ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ৯৮ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৫০ টাকা ১৭ পয়সায়।
২০২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে সেন্ট্রাল ইন্স্যুরেন্সের ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৯৮ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২ টাকা ৩ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৪৯ টাকা ৯৬ পয়সায়।
২০২২ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ১৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে সেন্ট্রাল ইন্স্যুরেন্সের পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ৩ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২ টাকা ৪১ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২২ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৪৯ টাকা ৪৮ পয়সায়।
২০২১ হিসাব বছরের জন্য বিনিয়োগকারীদের ১৮ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে সেন্ট্রাল ইন্স্যুরেন্স। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ৪১ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২ টাকা ৩ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২১ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৪৯ টাকা ৩৫ পয়সায়।
১৯৯৫ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত সেন্ট্রাল ইন্স্যুরেন্সের অনুমোদিত মূলধন ১০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৫৩ কোটি ১৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ২১০ কোটি ৬৫ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ৫ কোটি ৩১ লাখ ৪৪ হাজার ৮২৩। এর ৩৯ দশমিক ৩৩ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে।
এছাড়া সরকারের কাছে দশমিক ২৯ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ১৪ দশমিক ৩৬ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৪৬ দশমিক শূন্য ২ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।



