আর্থিক খাতের ১৯ কোম্পানির প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগের হালচাল
দেশ প্রতিক্ষণ, ঢাকা: পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত আর্থিক খাতের ২৩ কোম্পানির মধ্যে ১৯ কোম্পানি সেপ্টেম্বর মাসে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ কমেছে এবং ৪টি কোম্পানিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ বেড়েছে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। ১৯ কোম্পানির সেপ্টেম্বর মাসের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগের হালচাল প্রকাশ করা হলো:
বে লিজিং অ্যন্ড ইনভেস্টমেন্ট: কোম্পানিটির বর্তমান শেয়ার সংখ্যা ১৪ কোটি ৮ লাখ ৮৮ হাজার ৪৪৩টি এবং পরিশোধিত মূলধন ১৪০ কোটি ৮৮ লাখ ৮০ হাজার টাকা। মোট শেয়ারের মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে আগস্ট মাসে ছিল সর্বোচ্চ ২৫.৬৮ শতাংশ, যা সেপ্টেম্বর মাসে ০.৯৯ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ২৪.৬৯ শতাংশে। আলোচ্য সময়ে বাকি শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে রয়েছে ১৭.২৪ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে ৫৮.০৭ শতাংশ শেয়ার।
ডিবিএইচ ফাইন্যান্স: কোম্পানিটির বর্তমান শেয়ার সংখ্যা ২০ কোটি ২৮ লাখ ৬৭ হাজার ৯৭৪টি এবং পরিশোধিত মূলধন ২০২ কোটি ৮৬ লাখ ৮০ হাজার টাকা। মোট শেয়ারের মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে আগস্ট মাসে ছিল সর্বোচ্চ ২৯.০৪ শতাংশ, যা সেপ্টেম্বর মাসে ০.১১ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ২৮.৯৩ শতাংশে। আলোচ্য সময়ে বাকি শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে রয়েছে ৫১.৩২ শতাংশ, বিদেশি বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ৩.৭৩ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে ১৬.০২ শতাংশ শেয়ার।
ফারইস্ট ফাইন্যান্স: কোম্পানিটির বর্তমান শেয়ার সংখ্যা ১৬ কোটি ৪০ লাখ ৬৩ হাজার ৩৩০টি এবং পরিশোধিত মূলধন ১৬৪ কোটি ৬ লাখ ৩০ হাজার টাকা। মোট শেয়ারের মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে আগস্ট মাসে ছিল সর্বোচ্চ ১৫.৬৫ শতাংশ, যা সেপ্টেম্বর মাসে ২.৮৪ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ১২.৮১ শতাংশে। আলোচ্য সময়ে বাকি শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে রয়েছে ৩৯.৭৪ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে ৪৭.৪৫ শতাংশ শেয়ার।
এফএএস ফাইন্যান্স: কোম্পানিটির বর্তমান শেয়ার সংখ্যা ১৪ কোটি ৯০ লাখ ৭৭ হাজার ৩৬৪টি এবং পরিশোধিত মূলধন ১৪৯ কোটি ৭ লাখ ৭০ হাজার টাকা। মোট শেয়ারের মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে আগস্ট মাসে ছিল সর্বোচ্চ ৯.৭৩ শতাংশ, যা সেপ্টেম্বর মাসে ১.৩৪ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৮.৩৯ শতাংশে। আলোচ্য সময়ে বাকি শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে রয়েছে ১৩.২০ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে ৭৮.৪১ শতাংশ শেয়ার।
ফার্স্ট ফাইন্যান্স: কোম্পানিটির বর্তমান শেয়ার সংখ্যা ১১ কোটি ৮৫ লাখ ৪৪ হাজার ৬৬৩টি এবং পরিশোধিত মূলধন ১১৮ কোটি ৫০ লাখ টাকা। মোট শেয়ারের মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে আগস্ট মাসে ছিল সর্বোচ্চ ২০.৫৭ শতাংশ, যা সেপ্টেম্বর মাসে ০.২৫ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ২০.৩২ শতাংশে। আলোচ্য সময়ে বাকি শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে রয়েছে ৪১.৩১ শতাংশ, এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে ৩৮.৩৭ শতাংশ শেয়ার।
জিএসপি ফাইন্যান্স: কোম্পানিটির বর্তমান শেয়ার সংখ্যা ১৫ কোটি ৭০ লাখ ৬৮ হাজার ৫৮৫টি এবং পরিশোধিত মূলধন ১৫৭ কোটি ৬ লাখ ৯০ হাজার টাকা। মোট শেয়ারের মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে আগস্ট মাসে ছিল সর্বোচ্চ ৩৭.৯৪ শতাংশ, যা সেপ্টেম্বর মাসে ১.২৬ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৩৬.৬৮ শতাংশে। আলোচ্য সময়ে বাকি শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে রয়েছে ১২.০২ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে ৫১.৩০ শতাংশ শেয়ার।
আইসিবি: কোম্পানিটির বর্তমান শেয়ার সংখ্যা ৮৬ কোটি ৭২ লাখ ৫৮ হাজার ৯৬১টি এবং পরিশোধিত মূলধন ৮৬৭ কোটি ২৫ লাখ ৯০ হাজার টাকা। মোট শেয়ারের মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে আগস্ট মাসে ছিল সর্বোচ্চ ১.৫৯ শতাংশ, যা সেপ্টেম্বর মাসে ০.০৩ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ১.৫৬ শতাংশে। আলোচ্য সময়ে বাকি শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে রয়েছে ৬৯.২০ শতাংশ, সরকারের কাছে রয়েছে ২৭ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে ২.২৪ শতাংশ শেয়ার।
ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স: কোম্পানিটির বর্তমান শেয়ার সংখ্যা ২২ কোটি ১৮ লাখ ১০ হাজার ২৪৬টি এবং পরিশোধিত মূলধন ২২১ কোটি ৮১ লাখ টাকা। মোট শেয়ারের মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে আগস্ট মাসে ছিল সর্বোচ্চ ২২.৫৬ শতাংশ, যা সেপ্টেম্বর মাসে ০.৬৪ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ২১.৯২ শতাংশে। আলোচ্য সময়ে বাকি শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে রয়েছে ৪১.৫৫ শতাংশ, বিদেশি বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ০.০১ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে ৩৬.৫২ শতাংশ শেয়ার।
আইপিডিসি ফাইন্যান্স: কোম্পানিটির বর্তমান শেয়ার সংখ্যা ৪০ কোটি ৯১ লাখ ২৮ হাজার ৪৩০টি এবং পরিশোধিত মূলধন ৪০৯ কোটি ১২ লাখ ৮০ হাজার টাকা। মোট শেয়ারের মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে আগস্ট মাসে ছিল সর্বোচ্চ ২০.৯৯ শতাংশ, যা সেপ্টেম্বর মাসে ১.২৮ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ১৯.৭২ শতাংশে। আলোচ্য সময়ে বাকি শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে রয়েছে ৪০ শতাংশ, সরকারের কাছে রয়েছে ২১.৮৮ শতাংশ, বিদেশি বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ০.০৭ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে ১৮.৩৪ শতাংশ শেয়ার।
ইসলামিক ফাইন্যান্স: কোম্পানিটির বর্তমান শেয়ার সংখ্যা ১৪ কোটি ৩ লাখ ২৬ হাজার ৬৭০টি এবং পরিশোধিত মূলধন ১৪০ কোটি ৩২ লাখ ৭০ হাজার টাকা। মোট শেয়ারের মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে আগস্ট মাসে ছিল সর্বোচ্চ ২৩.৩৬ শতাংশ, যা সেপ্টেম্বর মাসে ০.১৫ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ২৩.২১ শতাংশে। আলোচ্য সময়ে বাকি শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে রয়েছে ৩২.৬৯ শতাংশ, এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে ৪৪.১০ শতাংশ শেয়ার।
লংকাবাংলা ফাইন্যান্স: কোম্পানিটির বর্তমান শেয়ার সংখ্যা ৫৩ কোটি ৮৮ লাখ ৩৮ হাজার ৬২৩টি এবং পরিশোধিত মূলধন ৫৩৮ কোটি ৮৩ লাখ ৯০ হাজার টাকা। মোট শেয়ারের মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে আগস্ট মাসে ছিল সর্বোচ্চ ২৩.২৬ শতাংশ, যা সেপ্টেম্বর মাসে ০.৪৩ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ২২.৮৩ শতাংশে। আলোচ্য সময়ে বাকি শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে রয়েছে ৩৩.৫৫ শতাংশ, বিদেশি বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ০.৫৪ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে ৪৩.০৮ শতাংশ শেয়ার।
ন্যাশনাল হাউজিং ফাইন্যান্স: কোম্পানিটির বর্তমান শেয়ার সংখ্যা ১২ কোটি ৮৭ লাখ ৩৪ হাজার ৩২০টি এবং পরিশোধিত মূলধন ১২৮ কোটি ৭৩ লাখ ৪০ হাজার টাকা। মোট শেয়ারের মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে আগস্ট মাসে ছিল সর্বোচ্চ ১৪.৭৭ শতাংশ, যা সেপ্টেম্বর মাসে ০.০৫ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ১৪.৭২ শতাংশে। আলোচ্য সময়ে বাকি শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে রয়েছে ৪৫.০৭ শতাংশ, সরকারের কাছে রয়েছে ৯.৩৪ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে ৩০.৮৭ শতাংশ শেয়ার।
ফনিক্স ফাইন্যান্স: কোম্পানিটির বর্তমান শেয়ার সংখ্যা ১৬ কোটি ৫৮ লাখ ৭৪ হাজার ১৯৫টি এবং পরিশোধিত মূলধন ১৬৫ কোটি ৮৭ লাখ ৪০ হাজার টাকা। মোট শেয়ারের মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে আগস্ট মাসে ছিল সর্বোচ্চ ১৯.৮৫ শতাংশ, যা সেপ্টেম্বর মাসে ০.৬৬ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ১৯.১৯ শতাংশে। আলোচ্য সময়ে বাকি শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে রয়েছে ২৬.০১ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে ৫৪.৮০ শতাংশ শেয়ার।
পিপলস লিজিং: কোম্পানিটির বর্তমান শেয়ার সংখ্যা ২৮ কোটি ৫৪ লাখ ৪০ হাজার ৫৯৭টি এবং পরিশোধিত মূলধন ২৮৫ কোটি ৪৪ লাখ ১০ হাজার টাকা। মোট শেয়ারের মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে আগস্ট মাসে ছিল সর্বোচ্চ ৯.৩৯ শতাংশ, যা সেপ্টেম্বর মাসে ১.০০ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৮.৩৯ শতাংশে। আলোচ্য সময়ে বাকি শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে রয়েছে ১৮.১৫ শতাংশ, বিদেশি বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ০.৬৮ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে ৭২.৭৮ শতাংশ শেয়ার।
প্রাইম ফাইন্যান্স: কোম্পানিটির বর্তমান শেয়ার সংখ্যা ২৭ কোটি ২৯ লাখ ১৬ হাজার ৪৮৩টি এবং পরিশোধিত মূলধন ২৭২ কোটি ৯১ লাখ ৬০ হাজার টাকা। মোট শেয়ারের মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে আগস্ট মাসে ছিল সর্বোচ্চ ৭.৫৪ শতাংশ, যা সেপ্টেম্বর মাসে ০.২৮ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৭.২৬ শতাংশে। আলোচ্য সময়ে বাকি শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে রয়েছে ৫৯.১৪ শতাংশ, বিদেশি বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ০.০১ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে ৩৩.৫৯ শতাংশ শেয়ার।
ইউনিয়ন ক্যাপিটাল: কোম্পানিটির বর্তমান শেয়ার সংখ্যা ১৭ কোটি ২৫ লাখ ৭৩ হাজার ৮৪৩টি এবং পরিশোধিত মূলধন ১৭২ কোটি ৫৭ লাখ ৪০ হাজার টাকা। মোট শেয়ারের মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে আগস্ট মাসে ছিল সর্বোচ্চ ১৯.৩৪ শতাংশ, যা সেপ্টেম্বর মাসে ০.৯৬ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ১৮.৩৮ শতাংশে। আলোচ্য সময়ে বাকি শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে রয়েছে ২৮.৯৪ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে ৫২.৬৮ শতাংশ শেয়ার।
ইউনাইটেড ফাইন্যান্স: কোম্পানিটির বর্তমান শেয়ার সংখ্যা ১৮ কোটি ৭১ লাখ ১৪ হাজার ৬১৪টি এবং পরিশোধিত মূলধন ১৮৭ কোটি ১১ লাখ ৫০ হাজার টাকা। মোট শেয়ারের মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে আগস্ট মাসে ছিল সর্বোচ্চ ১৪.৯৮ শতাংশ, যা সেপ্টেম্বর মাসে ০.৭৬ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ১৪.২২ শতাংশে। আলোচ্য সময়ে বাকি শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে রয়েছে ৪০.১৩ শতাংশ, এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে ৪৫.৬৫ শতাংশ শেয়ার।
উত্তরা ফাইন্যান্স: কোম্পানিটির বর্তমান শেয়ার সংখ্যা ১৩ কোটি ১৪ লাখ ৮১ হাজার ৫০৪টি এবং পরিশোধিত মূলধন ১৩১ কোটি ৪৮ লাখ ২০ হাজার টাকা। মোট শেয়ারের মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে আগস্ট মাসে ছিল সর্বোচ্চ ৩২.৫০ শতাংশ, যা সেপ্টেম্বর মাসে ০.০৯ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৩২.৪১ শতাংশে। আলোচ্য সময়ে বাকি শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে রয়েছে ৪৪.৪৪ শতাংশ, বিদেশি বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ৭.৮২ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে ১৫.৩৩ শতাংশ শেয়ার।



