দেশ প্রতিক্ষণ, ঢাকা: পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত খাদ্য ও আনুষঙ্গিক খাতের কোম্পানি এমারেল্ড অয়েল ইন্ডাস্ট্রিজের উৎপাদনসহ ব্যবসায়িক কার্যক্রম দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ রয়েছে। একইসঙ্গে ২ বছরের বেশি সময় ধরে আর্থিক হিসাব বন্ধ রয়েছে। তারপরেও সম্প্রতি কোম্পানিটির শেয়ার দর অস্বাভাবিক হারে বাড়ছে। এ নিয়ে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) কর্তৃপক্ষ তদন্তে নামলেও তাতে সহযোগিতা করেনি কোম্পানি কর্তৃপক্ষ। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা গেছে, গত ৪ মে এমারেল্ড অয়েলের শেয়ার দর ছিল ১৪.১০ টাকায়, যা ৩ জুন লেনদেন শেষে দাঁড়িয়েছে ২২.৯০ টাকায়। অর্থাৎ ১ মাসের ব্যবধানে শেয়ারটির দর বেড়েছে ৮.৮০ টাকা বা ৪৭ শতাংশ। এই দর বৃদ্ধিকে অস্বাভাবিক মনে করে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) কর্তৃপক্ষ। ফলে কোম্পানিটির দর বৃদ্ধি নিয়ে কোম্পানি কর্তৃপক্ষের কাছে কারণ জানতে চেয়ে ব্যাখ্যা চায় ডিএসই কর্তৃপক্ষ। তবে এর কোন জবাব দেয়নি কোম্পানি কর্তৃপক্ষ।

এদিকে কয়েক বছর ধরে উৎপাদন বন্ধ রয়েছে এমারেল্ড অয়েল ইন্ডাস্ট্রিজের। এছাড়া ২০২৩ সালের ৩১ ডিসেম্বরের পর থেকে আর্থিক হিসাব প্রকাশ করছে না কোম্পানি কর্তৃপক্ষ। এর মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদেরকে কোম্পানির প্রকৃত অবস্থা সম্পর্কে অন্ধকারে রাখা হয়েছে।

আর্থিক হিসাব প্রকাশ বন্ধের সাথে সাথে কোম্পানিটি থেকে ২০২৩ সালের পর থেকে শেয়ারহোল্ডারদের লভ্যাংশ প্রাপ্তিও বাদ হয়ে গেছে। এ কোম্পানিটি থেকে সর্বশেষ ২০২২-২৩ অর্থবছরের ব্যবসায় শেয়ারপ্রতি ১ টাকা বা ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেওয়া হয়েছিল।

২০১৪ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানিটির পরিশোধিত মূলধন ৯১ কোটি ২৭ লাখ টাকা। এর মধ্যে উদ্যোক্তা ও পরিচালক ছাড়া সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মালিকানা ৪৫ দশমিক ৫০ শতাংশ।