দেশ প্রতিক্ষণ, ঢাকা: পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ওষুধ ও রসায়ন খাতের কোম্পানি রেনাটা পিএলসি ইউরোপে কার্যক্রম সম্প্রসারণের অংশ হিসেবে প্রথমবারের মতো পর্তুগালে ওষুধ রপ্তানি শুরু করেছে। কোম্পানিটি ইতোমধ্যে দেশটিতে প্রথম চালান পাঠিয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

কোম্পানিটি জানিয়েছে, প্রথম চালানে ইউরোপীয় ইউনিয়নের গুড ম্যানুফ্যাকচারিং প্র্যাকটিস (ইইউ-জিএমপি) অনুমোদিত রাজেন্দ্রপুর জেনারেল উৎপাদন কেন্দ্রে তৈরি অ্যামান্টাডিন ১০০ মিলিগ্রাম ক্যাপসুল এবং মিরপুর পোটেন্ট উৎপাদন কেন্দ্রে তৈরি ফ্লুড্রোকর্টিসোন ০.১ মিলিগ্রাম ও ক্যাবারগোলিন ০.৫ মিলিগ্রাম ট্যাবলেট রপ্তানি করা হয়েছে। উভয় উৎপাদন কেন্দ্রই ইইউ-জিএমপি অনুমোদিত।

রেনাটার মতে, পর্তুগালের বাজারে প্রবেশ ইউরোপজুড়ে কোম্পানির আন্তর্জাতিক সম্প্রসারণ কৌশলের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। এর মাধ্যমে ইউরোপের বাজারে রেনাটার উপস্থিতি আরও শক্তিশালী হবে বলে আশা করছে প্রতিষ্ঠানটি।

এর আগে গত ৩ জুলাই রেনাটা জানিয়েছিল, ইউরোপীয় ইউনিয়নের ছয়টি দেশে তাদের লেভোথাইরক্সিন সোডিয়াম ট্যাবলেট রপ্তানি ও বাজারজাতকরণের অনুমোদন পেয়েছে। বিকেন্দ্রীকৃত অনুমোদন প্রক্রিয়ার আওতায় আয়ারল্যান্ড, জার্মানি, ইতালি, পোল্যান্ড, পর্তুগাল ও মাল্টায় ওষুধটির বিপণনের অনুমতি দেওয়া হয়।

থাইরয়েড রোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত এ ওষুধের নিরাপদ, মানসম্মত ও নির্ভরযোগ্য সরবরাহ নিশ্চিত করতেই নতুন ইউরোপীয় বাজারগুলোয় প্রবেশের উদ্যোগ নিয়েছে কোম্পানিটি। অনুমোদিত লেভোথাইরক্সিন সোডিয়াম ট্যাবলেট রেনাটার ইইউ-জিএমপি অনুমোদিত উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন উৎপাদন কেন্দ্রে তৈরি হবে।

১৯৭৯ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত রেনাটার পরিশোধিত মূলধন ১১৪ কোটি ৬৯ লাখ ৬০ হাজার টাকা। কোম্পানিটির মোট শেয়ারের ৫১ দশমিক ২৯ শতাংশ উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের কাছে রয়েছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ২১ দশমিক ৯৭ শতাংশ, বিদেশি বিনিয়োগকারীদের কাছে ১৮ দশমিক ৮৫ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে বাকি ৭ দশমিক ৮৯ শতাংশ শেয়ার।