শহীদুল ইসলাম, দেশ প্রতিক্ষণ, ঢাকা: সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবসে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূচকের কিছুটা উত্থানে লেনদেন শেষ হয়েছে। মুলত বীমা খাতের শেয়ারে ভর করে সূচকের উত্থান হয়েছে। তবে অধিকাংশ বীমা খাতের শেয়ারের দর বাড়লেও লেনদেন কমেছে। ফলে বাজার নিয়ে আতঙ্ক কাটছে না বিনিয়োগকারীদের। এর মাধ্যমে টানা দুই কার্যদিবস ঢালাও দরপতনের পর পুঁজিবাজারে সূচকের উত্থান দেখা মিললো। এদিন সূচকের সাথে বেড়েছে বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ার দর। তবে কমেছে টাকার পরিমাণে লেনদেন। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, ডিএসইতে লেনদেন শুরু হওয়ার অল্প সময়ের মধ্যে দাম বাড়ার তালিকায় চলে আসে বেশিরভাগ বীমা কোম্পানি। এতে লেনদেনের শুরুতে সূচকও ঊর্ধ্বমুখী হয়। তবে প্রথম দেড় ঘণ্টার লেনদেন শেষ বীমা বাদে অন্য খাতের বেশিরভাগ কোম্পানির দাম কমার তালিকায় চলে আসে। ফলে সূচকও ঋণাত্মক হয়ে পড়ে।

অবশ্য এর মধ্যেও দাম বাড়ার ক্ষেত্রে দাপট ধরে রাখে বীমা কোম্পানিগুলো। যা অব্যাহত থাকে লেনদেনের শেষ পর্যন্ত। লেনদেনের শেষ আধাঘণ্টায় বীমার সঙ্গে অন্যান্য খাতের বেশিরভাগ কোম্পানিও দাম বাড়ার তালিকায় চলে আসে। এতে দাম বাড়ার তালিকা বড় হওয়ার পাশাপাশি মূল্যসূচক বেড়েই দিনের লেনদেন শেষ হয়।

জানা গেছে, দিনশেষে ডিএসই ব্রড ইনডেক্স আগের দিনের চেয়ে ২২ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ৫ হাজার ৮৪৪ পয়েন্টে। আর ডিএসই শরিয়াহ সূচক .৬০ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ১ হাজার ১৭৪ পয়েন্টে এবং ডিএসই ৩০ সূচক ৮ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ২ হাজার ১৮৫ পয়েন্টে।

দিনভর লেনদেন হওয়া ৩৯২ কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ১৯৯ টির, দর কমেছে ১২৯ টির এবং দর অপরিবর্তিত রয়েছে ৬৪ টির। ডিএসইতে ৯০৮ কোটি ৪০ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে। যা আগের কার্যদিবস থেকে ৫৬ কোটি ১৯ লাখ টাকা কম। এর আগের দিন লেনদেন হয়েছিল ৯৬৪ কোটি ৫৯ লাখ টাকার।

অপরদিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ১০ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৫ হাজার ৬২৮ পয়েন্টে। সিএসইতে ২১২ টি প্রতিষ্ঠান লেনদেনে অংশ নিয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৮৫ টির দর বেড়েছে, কমেছে ৯৯ টির এবং ২৮টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে। সিএসইতে ৩৫ কোটি ৫৬ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে।