দেশ প্রতিক্ষণ, ঢাকা: পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত তথ্য ও প্রযুক্তি খাতের ‘জেড’ ক্যাটাগরির কোম্পানি আমরা টেকনোলজিস লিমিটেডের শেয়ারে অস্বাভাবিক মূল্য পরিবর্তন ও লেনদেনের আচরণে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জকে (ডিএসই) তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। গত বুধবার বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের মার্কেট অ্যান্ড ইন্টারমিডিয়ারিজ অ্যাফেয়ার্স বিভাগ থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এবং চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ পিএলসি (সিএসই) উভয় স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত ‘জেড’ ক্যাটাগরির কোম্পানি আমরা টেকনোলজিস লিমিটেডের শেয়ারে অস্বাভাবিক মূল্য পরিবর্তন ও লেনদেনের আচরণ লক্ষ্য করেছে। এ অবস্থায় কমিশন নির্ধারিত কার্যপরিধির ভিত্তিতে কোম্পানিটির শেয়ার লেনদেনের বিষয়ে বিস্তারিত তদন্ত পরিচালনার জন্য ডিএসইকে নির্দেশ দিয়েছে।

তদন্তের কার্যপরিধিতে বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট বিনিয়োগকারীদের মাধ্যমে কোনো ধরনের সমন্বিত, কারসাজিমূলক বা প্রকৃত নয় এমন লেনদেনের কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে কি না, তা শনাক্ত করা। একই সঙ্গে নিষিদ্ধ কোনো ইনসাইডার ট্রেডিং কার্যক্রম, যার মধ্যে অপ্রকাশিত মূল্যসংবেদনশীল তথ্যের অপব্যবহার অন্তর্ভুক্ত, সংঘটিত হয়েছে কি না, তা শনাক্ত করতে বলা হয়েছে।

এ ছাড়া সংশ্লিষ্ট স্টক ব্রোকার বা স্টক ডিলার এবং তাদের অনুমোদিত প্রতিনিধিদের ক্ষেত্রে কমিশনের মার্জিন বিধিমালা, সংশ্লিষ্ট আদেশ, প্রজ্ঞাপন ও নির্দেশনা যথাযথভাবে পরিপালন করা হয়েছে কি না, তা পরীক্ষা করতে বলা হয়েছে।

এ ধরনের লেনদেন সংঘটনে সহায়তা করা অথবা তা প্রতিরোধে ব্যর্থ হওয়ার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট স্টক ব্রোকার বা স্টক ডিলার এবং তাদের অনুমোদিত প্রতিনিধিদের কোনো ভূমিকা ও দায়বদ্ধতা রয়েছে কি না, তাও নির্ধারণ করা হবে।

স্টকও বন্ডে ট্রেডিং করা পাশাপাশি, সিকিউরিটিজ-সংক্রান্ত আইন লঙ্ঘন বা অন্য কোনো প্রাসঙ্গিক অনিয়ম সংঘটিত হয়েছে কি না, তা শনাক্ত করতে বলা হয়েছে।  চিঠি জারির তারিখ থেকে ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে কমিশনের কাছে একটি পূর্ণাঙ্গ তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জকে (ডিএসই) অনুরোধ করা হয়েছে।

এ ছাড়া সংশ্লিষ্ট স্টক ব্রোকার বা ডিলারের অনুমোদিত প্রতিনিধি, কমপ্লায়েন্স কর্মকর্তা এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা-কে সন্দেহজনক লেনদেন সম্পাদনের বিষয়ে সচেতন করার জন্যও অনুরোধ করা হয়েছে। এ ধরনের লেনদেন সিকিউরিটিজ ও এক্সচেঞ্জ কমিশন বিধিমালা, ২০০০-এর বিধি ১১-এর পাশাপাশি ১১-এর দ্বিতীয় তফসিলের বিধি ১১-এর পরিপন্থী হতে পারে।