শহীদুল ইসলাম, দেশ প্রতিক্ষণ, ঢাকা: টানা দরপতন থেকে বেরিয়ে ঊর্ধ্বমুখী ধারায় ফেরার ইঙ্গিত দিচ্ছে পুঁজিবাজার। তবে সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূচকের কিছুটা উত্থানে লেনদেন শেষ হয়েছে। মুলত সিমেন্ট ও আইটি খাতের শেয়ারে ভর করে সূচক কিছুটা বেড়েছে। তবে বস্ত্র খাতের শেয়ার বিক্রির চাপে সূচকের উপর প্রভাব পড়েছে বলে মনে করছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা।

তবে এদিন মূল্যসূচক ঊর্ধ্বমুখী রাখতে বড় ভূমিকা রেখেছে আইটি ও সিমেন্ট খাতের কোম্পানিগুলো। ফলে এদিন ডিএসইতে সূচক বাড়লেও কমেছে টাকার পরিমানে লেনদেন ও বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ার দর। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে ডিএসইতে লেনদেন শুরু হয় বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিটের দাম বাড়ার মাধ্যমে। ফলে লেনদেনের শুরুতে ডিএসইতে সূচকের উত্থান হয়। শুরুতে অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারের দাম বাড়ায় লেনদেনের এক পর্যায়ে ডিএসইর প্রধান সূচক ৩৪ পয়েন্ট বেড়ে যায়।

তবে লেনদেনের শেষদিকে ঢালাও দরপতন হতে থাকে। এর মধ্যেও আইটি ও সিমেন্ট খাতের কোম্পানিগুলোর শেয়ারের দাম বাড়ার প্রবণতা অব্যাহত থাকে। একই সঙ্গে বাছাই করা ৩০ কোম্পানির মধ্যে বেশিরভাগ দাম বাড়ার তালিকায় থাকে। এরপরও দাম কমার তালিকা বড় হয়ে মূল্যসূচক বেড়েই দিনের লেনদেন শেষ হয়।

জানা গেছে, দিনশেষে ডিএসই ব্রড ইনডেক্স আগের দিনের চেয়ে ১ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ৫ হাজার ৬৬২ পয়েন্টে। আর ডিএসই শরিয়াহ সূচক ২ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ১ হাজার ১৩৮ পয়েন্টে এবং ডিএসই ৩০ সূচক ১৫ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ২ হাজার ১৪০পয়েন্টে।

দিনভর লেনদেন হওয়া ৩৮৯ কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ১২৭ টির, দর কমেছে ২২৬ টির এবং দর অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৬ টির। ডিএসইতে ৭২০ কোটি ৯২ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে। যা আগের কার্যদিবস থেকে ১০ কোটি ২৫ লাখ টাকা কম। এর আগের দিন লেনদেন হয়েছিল ৭৩১ কোটি ৭ লাখ টাকার ।

অপরদিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ১৪ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৫ হাজার ১৭২ পয়েন্টে। সিএসইতে ১৭৩ টি কোম্পানি লেনদেনে অংশ নিয়েছে। এসব কোম্পানির মধ্যে ৬৫ টির দর বেড়েছে, কমেছে ৮৬ টির এবং ২২ টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে। সিএসইতে ১৫ কোটি ২৩ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে।