শেয়ারের দর বাড়লেই ডিএসইর তদন্ত, কমলে চুপ
শহীদুল ইসলাম, দেশ প্রতিক্ষণ, ঢাকা: পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোন কোম্পানির শেয়ারের দর বাড়লেই এর কারণ জানতে চেয়ে নোটিশ জারি হলেও সাম্প্রতিক টানা দরপতনের কারণ জানতে চায় না পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি ও ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ। ফলে শেয়ারের দর বাড়ার কারণ জানতে পারলেও দর কমার কারণ কখনও জানতে পারেন না বিনিয়োগকারীরা। ফলে কোন কোম্পানির শেয়ারের দর বাড়ার ফলেই নিয়ন্ত্রক সংস্থার হস্তক্ষেপে হতাশা প্রকাশ করছেন বিনিয়োগকারীরা।
ফলে শেয়ারের দর বাড়ার কারণ জানতে পারলেও দর কমার কারণ কখনও জানতে পারেন না বিনিয়োগকারীরা। যে কারণে দরপতনে নীরব দর্শক হয়ে থাকা ছাড়া কোন উপায় থাকে না বিনিয়োগকারীদের। এ পরিস্থিতির অবসান চান বিনিয়োগকারীরা। দর বাড়ার পাশাপাশি কমার কারণ জানতে চান তারা।
কারণ সাম্প্রতিক শার্প ইন্ডাস্টিজ পিএলসি, লাভলো আইসক্রিম, বেক্সিমকো লিমিটেড, ডমিনিজ স্ট্রিল শেয়ারের অস্বাভাবিক দরপতন হলেও এ ব্যাপারে ডিএসই নিরব ভুমিকা পালন করছেন। ফলে বিনিয়োগকারীদের প্রশ্ন দাম বাড়লে ডিএসই তদন্ত হয় দাম কমলে ডিএসই নিরব কেন? এ ভাবে কী পুঁজিবাজার স্থিতিশীল করা যাবে। ডিএসইর উচিত কোন শেয়ারের দাম কমলেও তদন্ত করে দেখা। তা হলে বিনিয়োগকারীদের মাঝে আস্থা ফিরবে।
তবে ২০১০ সালে ধসের পর দীর্ঘদিন পুঁজিবাজারে মন্দাভাব বিরাজ করে। তবে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর পুঁজিবাজারের বিনিয়োগকারীদের মধ্যে নতুন প্রত্যাশা সৃষ্টি হয়। যার ইতিবাচক প্রভাব পড়ে বাজারে। তবে যখনই বিনিয়োগকারীরা পুঁজিবাজারমুখী হতে শুরু করছে তখনই ডিএসই তদন্ত ও কোয়ারী ইস্যুতে বাজার অস্থির অবস্থা বিরাজ করছে। তবে হঠাৎ ডিএসইর অযাচিত হস্তক্ষেপে ও নানা ইস্যুতে আবারও গতি হারাচ্ছে পুঁজিবাজার।
ফলে টানা দরপতনের পাশাপাশি ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) গত এক মাসে ৩৬৪ পয়েন্টের বেশি সূচক কমে যাওয়ায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ ও আস্থার সংকট তীব্র হচ্ছে। আবারও পুঁজি হারানোর আতঙ্ক পেয়ে বসেছে বিনিয়োগকারীদের।



